পাকিস্তানে ৫০০+ নিখোঁজ মেয়ের মামলা ঝুলছে, পুলিশের ওপর আদালতের ক্ষোভ
- 1
নানা পাটেকারের জীবনের অজানা ১০ তথ্য | সংগ্রাম, পরিবার ও অভিনয়
- 2
মৃত্যুর আগে বন্ধুকে বার্তা, ধীরে ধীরে হারাচ্ছিলেন চেতনা—নানা পাটেকরের শেষ সময়ের ঘটনা
- 3
মেসির মতো বিদায় প্রাপ্য রোনালদোরও, বললেন গ্যারি লিনেকার
- 4
আবু ধাবির গরমে শান্তদের আফগান পরীক্ষা, নতুন অভিজ্ঞতার সামনে বাংলাদেশ
- 5
নতুন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড স্টেডিয়ামের উদ্বোধনে থাকতে চান ফার্গুসন—‘শরীরে না থাকলেও আত্মায়’

পাকিস্তানে ৫০০+ নিখোঁজ মেয়ের মামলা ঝুলছে, পুলিশের ওপর আদালতের ক্ষোভ
পাকিস্তানে ৫০০+ নিখোঁজ মেয়ের মামলা ঝুলছে, পুলিশের ওপর আদালতের ক্ষোভ
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে ৫০০টিরও বেশি মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার মামলা এখনো অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে আছে। এ তথ্য প্রকাশের পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আলিয়া নিলম।
ফয়সালাবাদের বাসিন্দা সাদিয়া হুসাইনের দায়ের করা একটি রিট আবেদনের শুনানিতে গত বুধবার আদালতে বিষয়টি সামনে আসে। নিজের নিখোঁজ মেয়েকে উদ্ধারের দাবিতে ওই নারী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শুনানির সময় প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান (আইজিপি) রাও আব্দুল করিম জানান, আবেদনকারীর মেয়েকে ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে।
আদালতের হস্তক্ষেপেই কি পুলিশের তৎপরতা?
শুনানিতে লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আলিয়া নিলম জানতে চান, নারী ও শিশু নিখোঁজসহ এ ধরনের ঘটনা মোকাবিলায় পুলিশের কার্যকর ও সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যবস্থা রয়েছে কি না।
জবাবে আইজিপি জানান, এ ধরনের ঘটনা মোকাবিলায় একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তবে পুলিশের এই উদ্যোগে সন্তুষ্ট হননি প্রধান বিচারপতি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আদালত নজর দিলেই কেবল পুলিশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি এমন একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেন, যেখানে প্রায় দুই বছর ধরে নিখোঁজ থাকা এক মেয়েকে আদালতের হস্তক্ষেপের পর উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
পরিবারের দুর্ভোগ নিয়ে প্রশ্ন
সন্তান নিখোঁজ হলে তার পরিবারকে যে গভীর মানসিক চাপ ও দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, পুলিশ কখনো বিষয়টি ভেবে দেখেছে কি না—এমন প্রশ্নও তোলেন প্রধান বিচারপতি।
নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশের অবহেলা নিয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে আরও কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।
পুলিশের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন আদালত
শুনানি শেষে নিখোঁজ মেয়েদের উদ্ধারে পুলিশ কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং এসব মামলার অগ্রগতি কতদূর—তা জানিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি আলিয়া নিলম।
পাঞ্জাবে ৫০০টিরও বেশি নিখোঁজ মেয়ের মামলা এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকায় বিষয়টি দেশটির আইনশৃঙ্খলা ও নারী নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। আদালতের পরবর্তী শুনানিতে পুলিশের দেওয়া অগ্রগতি প্রতিবেদনেই এখন নজর থাকবে।













