Image

সমালোচনা কীভাবে বদলে দিয়েছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ক্যারিয়ার?

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 1 ঘন্টা আগেআপডেট: 25 মিনিট আগে
সমালোচনা কীভাবে বদলে দিয়েছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ক্যারিয়ার?

সমালোচনা কীভাবে বদলে দিয়েছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ক্যারিয়ার?

সমালোচনা কীভাবে বদলে দিয়েছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ক্যারিয়ার?

২০১১ সাল। সেটি ছিল অস্ট্রেলিয়ায় রবিচন্দ্রন অশ্বিনের প্রথম টেস্ট সফর। তিন টেস্টে ১৬৮ ওভার বল করে তিনি পেয়েছিলেন মাত্র ৯ উইকেট। সেই হতাশা নিয়ে দেশে ফেরার পথে বিমানে পত্রিকায় ছাপা হওয়া একটি কলামের ওপর চোখ আটকে যায় তাঁর। সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের লেখা সেই সমালোচনামূলক নিবন্ধে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল তরুণ এই স্পিনারের ফিটনেস, ফিল্ডিং এবং বোলিং অ্যাকশনের ভারসাম্য নিয়ে। প্রতিটি শব্দ যেন সুচের মতো বিঁধছিল তাঁর মনে।

তবে সব সমালোচনা ধ্বংস ডেকে আনে না, কিছু সমালোচনা পথও দেখায়। সম্প্রতি জিও হটস্টারের ‘চিকি সিঙ্গেলস’ অনুষ্ঠানে সেই পুরোনো স্মৃতির রোমন্থন করেছেন ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো এই তারকা স্পিনার।

মাঞ্জরেকারের লেখাটি পড়ে শুরুতে ভেতরটা জ্বলে উঠলেও অশ্বিন সেই ক্ষোভকে নিজের ক্ষতির কারণ হতে দেননি; বরং সেটিকে নিজেকে চেনার কঠিন আয়না বানিয়েছিলেন। স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, "মাঞ্জরেকারের সেই লেখা পড়ে খুব রাগ হয়েছিল, খারাপও লেগেছিল। তবে বিষয়টিকে মনে পুষে রাখিনি। পরের চার বছর আমি ফিটনেস নিয়ে তুমুল খাটুনি খেটেছিলাম, কারণ আমি জন্মগতভাবে খুব ক্ষিপ্র অ্যাথলেট ছিলাম না।
সেই কঠোর পরিশ্রমের সুফলও হাতেনাতে পেয়েছিলেন অশ্বিন। নিজের পরিবর্তনের গল্প বলতে গিয়ে তিনি যোগ করেন, "এরপর ২০১৫ সালে তিনি আরেকটি নিবন্ধ লেখেন, যেখানে উল্লেখ করেন যে অশ্বিন এখন চমৎকার বোলিং করছে। তখন আমি তাঁর নম্বর জোগাড় করে একটি বার্তা পাঠাই এবং বলি—আপনার সেই নিবন্ধটি আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছে। আমি সব সময় দেখার চেষ্টা করি সমালোচনা থেকে শেখার কিছু আছে কি না।

সমালোচনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার এই বিরল মানসিকতাই অশ্বিনকে পৌঁছে দিয়েছিল সাফল্যের চূড়ায়। ২০২৪ সালে যখন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানান, তখন তাঁর নামের পাশে ১০৬ টেস্টে লেখা ৫৩৭টি উইকেট। ভারতের টেস্ট ইতিহাসে কিংবদন্তি অনিল কুম্বলের (৬১৯ উইকেট) পর টেস্টে তিনিই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক।

 

Details Bottom