Image

হোপের সেঞ্চুরি, পলের পাঁচ উইকেট—ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 1 ঘন্টা আগেআপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
হোপের সেঞ্চুরি, পলের পাঁচ উইকেট—ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

হোপের সেঞ্চুরি, পলের পাঁচ উইকেট—ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

হোপের সেঞ্চুরি, পলের পাঁচ উইকেট—ভারতকে হারিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

হায়দরাবাদে চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে ২৪ রানে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথমে ব্যাট করে শেই হোপের অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ২০ ওভারে ২৪৭ রান সংগ্রহ করে ক্যারিবিয়ানরা। জবাবে ১৯.৩ ওভারে ২২৩ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত।

ব্যাট হাতে হোপের ঝড়ের পর বল হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের অন্যতম নায়ক কিমো পল। চার ওভারে ৪১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে ভারতের রান তাড়ায় বড় ধাক্কা দেন তিনি।

হোপের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জুয়েল অ্যান্ড্রুর ২১ রানের পর শেই হোপের ব্যাটে গতি বাড়তে থাকে ইনিংসে। তিন নম্বরে নেমে শিমরন হেটমায়ার মাত্র ১২ বলে ৩৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার বিদায়ের পর রভম্যান পাওয়েল করেন ১৭ বলে ২৪ রান।

এরপর শেরফেন রাদারফোর্ডকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজের হাতে তুলে নেন হোপ। মাত্র ৪৩ বলে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আসে ৯১ রান।

২৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করা হোপ শেষ দিকে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন। ইনিংসের শেষ দুই বলে পরপর দুটি ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। ৫০ বলে চারটি চার ও নয়টি ছক্কায় ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অন্যদিকে রাদারফোর্ড ২৬ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনটি শতকের কীর্তি গড়েন হোপ। চলতি সিরিজেই এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ভারত সফরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে সাত ম্যাচে তার সেঞ্চুরি এখন চারটি।

স্যামসনের ঝড় থামালেন পল

২৪৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন সাঞ্জু স্যামসন। আভিশেক শর্মাকে এক প্রান্তে রেখে মাত্র ১৮ বলে পাঁচটি চার ও চারটি ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।

তবে পঞ্চম ওভারে আক্রমণে এসেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন কিমো পল। নিজের প্রথম বলেই ২৩ বলে ৫৬ রান করা স্যামসনকে ফিরিয়ে দেন তিনি। একই ওভারে একটি ছক্কা মেরে ইশান কিষানও আউট হন।

৪.৪ ওভারে ভারতের স্কোর তখন ৬৭/২। তবে এরপর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা।

অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১৬ রান করে ফেরেন। আভিশেক শর্মাও নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ছিলেন না। ২৪ বলে ২৯ রান করে গুডাকেশ মোটির বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

মোটি পরের বলেই নামান ধীরকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন। তবে নিতিশ কুমার রেড্ডি হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দেন। পরে তিলাক ভার্মার সঙ্গে নিতিশ ভারতের জয়ের আশা জিইয়ে রাখেন।

শেষ দিকে পলের পাঁচ উইকেট

তিলাক ভার্মা ও নিতিশ রেড্ডির ৭০ রানের জুটি ভারতকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনছিল। কিন্তু ১৯ বলে ভারতের প্রয়োজন যখন ৪৮ রান, তখন ২৫ বলে ৪৩ রান করা তিলাককে ফিরিয়ে দেন রোমারিও শেফার্ড।

এরপর আবারও আলোচনায় কিমো পল। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে নিতিশ কুমার রেড্ডি ছক্কা হাঁকালেও পরের বলেই তাকে ৪১ রানে ফিরিয়ে দেন পল। এরপর প্রিন্স ইয়াদাভ ও আকসার প্যাটেলকেও একই ওভারে আউট করে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি।

শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ৩৫ রান, হাতে ছিল মাত্র একটি উইকেট। শামার জোসেফের ওভারে কাঁধের সমস্যায় আর্শদীপ সিং মাঠ ছাড়লে সেখানেই কার্যত ম্যাচের সমাপ্তি ঘটে।

ভারত থামে ১৯.৩ ওভারে ২২৩ রানে। ফলে ২৪ রানের জয় নিয়ে সিরিজে ২-২ সমতা ফেরায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টি আগামী শনিবার বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হবে।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three