ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের তালিকা: ১৯৫৬ থেকে ২০২৬
- 1
ইন্টার মায়ামির ইতিহাস: মেসির আগে ও পরে, ট্রফি ও রেকর্ড
- 2
বার্সেলোনা বনাম রিয়াল মাদ্রিদ লাইভ: এল ক্লাসিকোর ইতিহাস, শেষ ৫ ম্যাচ ও আজকের খেলা
- 3
কাজেমিরোর আত্মঘাতী গোল, মেসির ১৩ ম্যাচের গোলধারায় ছেদ
- 4
চেলসির পূর্ণ ইতিহাস: প্রতিষ্ঠা, সব ট্রফি, রেকর্ড ও বিশ্বজয়ের গল্প
- 5
আবারও বিতর্কে নেইমার, ভিএআরে লাল কার্ডের পর প্রতিপক্ষকে হুমকি

ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের তালিকা: ১৯৫৬ থেকে ২০২৬
ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের তালিকা: ১৯৫৬ থেকে ২০২৬
বিশ্ব ফুটবলে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতিগুলোর একটি ব্যালন ডি’অর। ১৯৫৬ সালে ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের উদ্যোগে শুরু হওয়া এই পুরস্কার সময়ের সঙ্গে ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিগত সম্মানে পরিণত হয়েছে।
ইউরোপীয় ফুটবলের সেরা খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে যাত্রা শুরু করলেও সময়ের সঙ্গে ব্যালন ডি’অরের পরিধি বেড়েছে। বর্তমানে পুরুষ ও নারী ফুটবলে আলাদাভাবে বছরের সেরা খেলোয়াড়কে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতে ইতিহাসের পাতায় নতুন নাম লিখিয়েছেন ইংল্যান্ড ও বায়ার্ন মিউনিখের তারকা হ্যারি কেইন। নারী বিভাগে পুরস্কার জিতেছেন স্পেন ও বার্সেলোনার তারকা অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস।
ব্যালন ডি’অর কী?
ব্যালন ডি’অর বা Golden Ball পুরস্কারটি ফরাসি ফুটবল সাময়িকী France Football ১৯৫৬ সালে চালু করে। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স, দলীয় সাফল্য, খেলোয়াড়ের প্রভাব ও ক্রীড়াসুলভ আচরণ—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।
পুরস্কারটির ইতিহাসে ইউরোপের অনেক কিংবদন্তি ফুটবলার যেমন স্ট্যানলি ম্যাথিউস, আলফ্রেডো দি স্তেফানো, ইয়োহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি, জিনেদিন জিদান, রোনালদিনহো ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জায়গা করে নিয়েছেন। আর সর্বোচ্চ আটবার ব্যালন ডি’অর জিতে রেকর্ডের শীর্ষে রয়েছেন লিওনেল মেসি।
২০২৬ ব্যালন ডি’অর: হ্যারি কেইনের ইতিহাস
২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে বড় গল্প হ্যারি কেইন। বায়ার্ন মিউনিখের এই ইংলিশ স্ট্রাইকার প্রথমবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছেন।
লন্ডনের প্যালাডিয়ামে অনুষ্ঠিত ৭০তম ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে কেইন পেছনে ফেলেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিন ইয়ামালকে। এমবাপ্পে হয়েছেন দ্বিতীয় এবং ইয়ামাল তৃতীয়।
কেইনের এই জয় আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে ইংল্যান্ডের জন্য। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর ২৫ বছর অপেক্ষা শেষে আবার কোনো ইংলিশ ফুটবলার পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতলেন।
ফলে ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে কেইন হলেন ইংল্যান্ডের পঞ্চম পুরুষ বিজয়ী। তার আগে স্ট্যানলি ম্যাথিউস, ববি চার্লটন, কেভিন কিগান ও মাইকেল ওয়েন এই পুরস্কার জিতেছিলেন।
২০২৬ সালের শীর্ষ পাঁচে ছিলেন:
হ্যারি কেইন — ইংল্যান্ড, বায়ার্ন মিউনিখ
কিলিয়ান এমবাপ্পে — ফ্রান্স, রিয়াল মাদ্রিদ
লামিন ইয়ামাল — স্পেন, বার্সেলোনা
রদ্রি — স্পেন, ম্যানচেস্টার সিটি/বার্সেলোনা
লিওনেল মেসি — আর্জেন্টিনা, ইন্টার মায়ামি
নারী ব্যালন ডি’অর ২০২৬: অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস
নারী ফুটবলের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্পেনের তারকা অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস।
এটি পুতেয়াসের তৃতীয় নারী ব্যালন ডি’অর। এর আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে টানা দুইবার এই পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি। ২০২৬ সালের জয় তাকে নারী ব্যালন ডি’অরের সবচেয়ে সফল খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে আরও প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ব্যালন ডি’অর কীভাবে দেওয়া হয়?
France Football ও L’Équipe পুরুষদের জন্য ৩০ জন এবং নারী বিভাগে ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে। এরপর নির্ধারিত আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের ভোটে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।
প্রতিটি ভোটার তাদের পছন্দের ১০ জন খেলোয়াড়কে ক্রমানুসারে সাজান। প্রথম স্থান পাওয়া খেলোয়াড় পান ১৫ পয়েন্ট। এরপর ধারাবাহিকভাবে ১২, ১০, ৮, ৭, ৫, ৪, ৩, ২ ও ১ পয়েন্ট দেওয়া হয়।
সব ভোটের পয়েন্ট যোগ করার পর সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া খেলোয়াড় ব্যালন ডি’অর জেতেন। টাই হলে প্রথম স্থানের ভোট, এরপর দ্বিতীয় স্থানের ভোট—এভাবে টাইব্রেক করা হয়।
পুরুষদের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের তালিকা
| বছর | বিজয়ী | ক্লাব | দেশ |
|---|---|---|---|
| 1956 | স্ট্যানলি ম্যাথিউস | ব্ল্যাকপুল | ইংল্যান্ড |
| 1957 | আলফ্রেডো দি স্তেফানো | রিয়াল মাদ্রিদ | স্পেন |
| 1958 | রেমন্ড কোপা | রিয়াল মাদ্রিদ | ফ্রান্স |
| 1959 | আলফ্রেডো দি স্তেফানো | রিয়াল মাদ্রিদ | স্পেন |
| 1960 | লুইস সুয়ারেজ | বার্সেলোনা | স্পেন |
| 1961 | ওমর সিভোরি | জুভেন্টাস | ইতালি |
| 1962 | ইয়োসেফ মাসোপুস্ট | দুকলা প্রাগ | চেকোস্লোভাকিয়া |
| 1963 | লেভ ইয়াশিন | ডায়নামো মস্কো | সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| 1964 | ডেনিস ল | ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড | স্কটল্যান্ড |
| 1965 | ইউসেবিও | বেনফিকা | পর্তুগাল |
| 1966 | ববি চার্লটন | ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড | ইংল্যান্ড |
| 1967 | ফ্লোরিয়ান আলবার্ট | ফেরেনভারোস | হাঙ্গেরি |
| 1968 | জর্জ বেস্ট | ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড | উত্তর আয়ারল্যান্ড |
| 1969 | জিয়ান্নি রিভেরা | এসি মিলান | ইতালি |
| 1970 | গের্ড মুলার | বায়ার্ন মিউনিখ | পশ্চিম জার্মানি |
| 1971 | ইয়োহান ক্রুইফ | আয়াক্স | নেদারল্যান্ডস |
| 1972 | ফ্রানৎস বেকেনবাওয়ার | বায়ার্ন মিউনিখ | পশ্চিম জার্মানি |
| 1973 | ইয়োহান ক্রুইফ | বার্সেলোনা | নেদারল্যান্ডস |
| 1974 | ইয়োহান ক্রুইফ | বার্সেলোনা | নেদারল্যান্ডস |
| 1975 | ওলেহ ব্লোখিন | ডায়নামো কিয়েভ | সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| 1976 | ফ্রানৎস বেকেনবাওয়ার | বায়ার্ন মিউনিখ | পশ্চিম জার্মানি |
| 1977 | অ্যালান সিমনসেন | বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ | ডেনমার্ক |
| 1978 | কেভিন কিগান | হ্যামবার্গার | ইংল্যান্ড |
| 1979 | কেভিন কিগান | হ্যামবার্গার | ইংল্যান্ড |
| 1980 | কার্ল-হাইঞ্জ রুমেনিগে | বায়ার্ন মিউনিখ | পশ্চিম জার্মানি |
| 1981 | কার্ল-হাইঞ্জ রুমেনিগে | বায়ার্ন মিউনিখ | পশ্চিম জার্মানি |
| 1982 | পাওলো রসি | জুভেন্টাস | ইতালি |
| 1983 | মিশেল প্লাতিনি | জুভেন্টাস | ফ্রান্স |
| 1984 | মিশেল প্লাতিনি | জুভেন্টাস | ফ্রান্স |
| 1985 | মিশেল প্লাতিনি | জুভেন্টাস | ফ্রান্স |
| 1986 | ইগর বেলানভ | ডায়নামো কিয়েভ | সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| 1987 | রুড গুলিত | এসি মিলান | নেদারল্যান্ডস |
| 1988 | মার্কো ভ্যান বাস্তেন | এসি মিলান | নেদারল্যান্ডস |
| 1989 | মার্কো ভ্যান বাস্তেন | এসি মিলান | নেদারল্যান্ডস |
| 1990 | লোথার ম্যাথাউস | ইন্টার মিলান | জার্মানি |
| 1991 | জঁ-পিয়ের পাপাঁ | মার্সেই | ফ্রান্স |
| 1992 | মার্কো ভ্যান বাস্তেন | এসি মিলান | নেদারল্যান্ডস |
| 1993 | রবার্তো বাজ্জিও | জুভেন্টাস | ইতালি |
| 1994 | হ্রিস্টো স্টইচকভ | বার্সেলোনা | বুলগেরিয়া |
| 1995 | জর্জ উইয়াহ | এসি মিলান | লাইবেরিয়া |
| 1996 | ম্যাথিয়াস সামার | বরুশিয়া ডর্টমুন্ড | জার্মানি |
| 1997 | রোনালদো | ইন্টার মিলান | ব্রাজিল |
| 1998 | জিনেদিন জিদান | জুভেন্টাস | ফ্রান্স |
| 1999 | রিভালদো | বার্সেলোনা | ব্রাজিল |
| 2000 | লুইস ফিগো | রিয়াল মাদ্রিদ | পর্তুগাল |
| 2001 | মাইকেল ওয়েন | লিভারপুল | ইংল্যান্ড |
| 2002 | রোনালদো | রিয়াল মাদ্রিদ | ব্রাজিল |
| 2003 | পাভেল নেদভেদ | জুভেন্টাস | চেক প্রজাতন্ত্র |
| 2004 | আন্দ্রি শেভচেঙ্কো | এসি মিলান | ইউক্রেন |
| 2005 | রোনালদিনহো | বার্সেলোনা | ব্রাজিল |
| 2006 | ফাবিও কানাভারো | রিয়াল মাদ্রিদ | ইতালি |
| 2007 | কাকা | এসি মিলান | ব্রাজিল |
| 2008 | ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো | ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড | পর্তুগাল |
| 2009 | লিওনেল মেসি | বার্সেলোনা | আর্জেন্টিনা |
| 2010 | লিওনেল মেসি | বার্সেলোনা | আর্জেন্টিনা |
| 2011 | লিওনেল মেসি | বার্সেলোনা | আর্জেন্টিনা |
| 2012 | লিওনেল মেসি | বার্সেলোনা | আর্জেন্টিনা |
| 2013 | ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো | রিয়াল মাদ্রিদ | পর্তুগাল |
| 2014 | ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো | রিয়াল মাদ্রিদ | পর্তুগাল |
| 2015 | লিওনেল মেসি | বার্সেলোনা | আর্জেন্টিনা |
| 2016 | ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো | রিয়াল মাদ্রিদ | পর্তুগাল |
| 2017 | ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো | রিয়াল মাদ্রিদ | পর্তুগাল |
| 2018 | লুকা মদ্রিচ | রিয়াল মাদ্রিদ | ক্রোয়েশিয়া |
| 2019 | লিওনেল মেসি | বার্সেলোনা | আর্জেন্টিনা |
| 2020 | পুরস্কার দেওয়া হয়নি | — | — |
| 2021 | লিওনেল মেসি | পিএসজি | আর্জেন্টিনা |
| 2022 | করিম বেনজেমা | রিয়াল মাদ্রিদ | ফ্রান্স |
| 2023 | লিওনেল মেসি | ইন্টার মায়ামি | আর্জেন্টিনা |
| 2024 | রদ্রি | ম্যানচেস্টার সিটি | স্পেন |
| 2025 | উসমান দেমবেলে | পিএসজি | ফ্রান্স |
| 2026 | হ্যারি কেইন | বায়ার্ন মিউনিখ | ইংল্যান্ড |
ঐতিহাসিক বিজয়ীদের তালিকা ১৯৫৬ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত UEFA ও France Football-এর রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে; ২০২৬ সালের ফলাফলে হ্যারি কেইন যুক্ত হয়েছেন।
নারী ব্যালন ডি’অর বিজয়ীদের তালিকা
| বছর | বিজয়ী | ক্লাব | দেশ |
|---|---|---|---|
| 2018 | আদা হেগারবার্গ | লিওঁ | নরওয়ে |
| 2019 | মেগান রাপিনো | রেইন এফসি | যুক্তরাষ্ট্র |
| 2020 | পুরস্কার দেওয়া হয়নি | — | — |
| 2021 | অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস | বার্সেলোনা | স্পেন |
| 2022 | অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস | বার্সেলোনা | স্পেন |
| 2023 | আইতানা বোনমাতি | বার্সেলোনা | স্পেন |
| 2024 | আইতানা বোনমাতি | বার্সেলোনা | স্পেন |
| 2025 | আইতানা বোনমাতি | বার্সেলোনা | স্পেন |
| 2026 | অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস | বার্সেলোনা/লন্ডন সিটি লায়োনেসেস | স্পেন |
২০২৬ সালের নারী ব্যালন ডি’অর পুতেয়াসের তৃতীয় জয়।
সবচেয়ে বেশি ব্যালন ডি’অর জয়
ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পুরস্কার জিতেছেন লিওনেল মেসি। ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৫, ২০১৯, ২০২১ ও ২০২৩—মোট ৮ বার এই পুরস্কার জিতেছেন তিনি।
এরপর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পাঁচবার, আর ইয়োহান ক্রুইফ, মিশেল প্লাতিনি ও মার্কো ভ্যান বাস্তেন তিনবার করে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন।
ব্যালন ডি’অরে সর্বোচ্চ জয়
লিওনেল মেসি — ৮ বার
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো — ৫ বার
ইয়োহান ক্রুইফ — ৩ বার
মিশেল প্লাতিনি — ৩ বার
মার্কো ভ্যান বাস্তেন — ৩ বার
আলফ্রেডো দি স্তেফানো — ২ বার
ফ্রানৎস বেকেনবাওয়ার — ২ বার
কেভিন কিগান — ২ বার
কার্ল-হাইঞ্জ রুমেনিগে — ২ বার
রোনালদো নাজারিও — ২ বার
২০২৬ পর্যন্ত সর্বশেষ পাঁচ পুরুষ বিজয়ী
২০২৬ — হ্যারি কেইন
২০২৫ — উসমান দেমবেলে
২০২৪ — রদ্রি
২০২৩ — লিওনেল মেসি
২০২২ — করিম বেনজেমা
২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর: এক নজরে
পুরুষদের বিজয়ী: হ্যারি কেইন
নারীদের বিজয়ী: অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস
পুরুষদের দ্বিতীয়: কিলিয়ান এমবাপ্পে
পুরুষদের তৃতীয়: লামিন ইয়ামাল
সেরা তরুণ খেলোয়াড়: লামিন ইয়ামাল
সেরা গোলরক্ষক: উনাই সিমন
সেরা পুরুষ কোচ: লুইস দে লা ফুয়েন্তে
সেরা পুরুষ ক্লাব: প্যারিস সেন্ট-জার্মেইন
অনুষ্ঠানের স্থান: লন্ডন প্যালাডিয়াম
আসরের সংখ্যা: ৭০তম
















