‘এমন ইনিংস জীবনে কখনও দেখিনি’, শাদাবকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত আফ্রিদি
- 1
পেশাজীবীদের কাজ সহজ করতে নতুন এআই এজেন্ট ‘ক্লদ ডুয়েট’ আনল অ্যানথ্রোপিক
- 2
জন্মদিনে নানাকে খুঁজছেন পরীমনি, ঘুম থেকে তুলে কেক কাটানোর স্মৃতিতে কাঁদেন
- 3
লেস্টারের বিপক্ষে লুটনের একাদশে এক পরিবর্তন, বেঞ্চে টেডেন মেঙ্গি
- 4
মেসিকে পুরস্কার দিল স্পেন, ‘সর্বকালের সবচেয়ে সফল ফুটবলার’ হিসেবে স্বীকৃতি
- 5
৪৬২ মিলিয়ন ডলারের ‘গ্ল্যাডিয়েটর ২’ এখন নেটফ্লিক্সের শীর্ষ সিনেমা, আলোচনায় পেদ্রো পাস্কাল

‘এমন ইনিংস জীবনে কখনও দেখিনি’, শাদাবকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত আফ্রিদি
‘এমন ইনিংস জীবনে কখনও দেখিনি’, শাদাবকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত আফ্রিদি
ওয়ানডে ক্রিকেটে ম্যাচ জেতানো অসংখ্য দুর্দান্ত ইনিংস দেখা গেছে। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শাদাব খানের ইনিংসটি নিঃসন্দেহে সেই তালিকার ওপরের দিকেই থাকবে। ১৫৪ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে যখন পাকিস্তানের জয়ের আশা প্রায় শেষ, তখন একাই ম্যাচের চিত্র বদলে দেন এই অলরাউন্ডার।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচে ইংল্যান্ডের দেওয়া ২৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৪তম ওভারে ১৫৪ রানে নবম উইকেট হারায় পাকিস্তান। তখনও জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৮৮ রান। শেষ ব্যাটার হারিস রউফকে নিয়ে সেই অসম্ভব লক্ষ্যই পূরণ করেন শাদাব।
শেষ উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন অপরাজিত ৮৯ রান, যা সফল ওয়ানডে রান তাড়ায় সর্বোচ্চ দশম উইকেট জুটির নতুন রেকর্ড। ৯৬ বলে ১৩ চার ও ৫ ছক্কায় ১১৩ রানে অপরাজিত থাকেন শাদাব। এটিই ছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার প্রথম সেঞ্চুরি এবং ওয়ানডেতে আট বা তার নিচে ব্যাটিংয়ে কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।
তবে শাদাবের ইনিংসের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত আসে ৯৭ রানে। গাস অ্যাটকিনসনের বল নিচু হয়ে লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে প্যাডে আঘাত করলে আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেন। নিজেও আউট হয়ে গেছেন ধরে নিয়ে হতাশায় ব্যাট মাটিতে আঘাত করেন শাদাব। দুই দলের ক্রিকেটাররা হাত মেলানোর প্রস্তুতিও শুরু করেছিলেন।
কিন্তু শাদাব রিভিউ নেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল আগে ব্যাটে লেগেছিল। সিদ্ধান্ত বদলে যায়, আর জীবন ফিরে পান পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাননি তিনি। অ্যাটকিনসনের বলে পরপর বাউন্ডারি মেরে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি।
শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রানও এনে দেন শাদাব ও রউফ। শাদাব ১১৩ রানে অপরাজিত থাকলেও জয়সূচক চারটি মারেন রউফ। ১৯ বলে ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন পাকিস্তানের শেষ ব্যাটার।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি শাদাবের ইনিংসের প্রশংসা করতে গিয়ে বলেন, এমন ইনিংস তিনি জীবনে কখনও দেখেননি।
“শাদাব ও হারিস যেভাবে ম্যাচটি শেষ করল, তা অবিশ্বাস্য। আমার ক্যারিয়ারে তো নয়ই, ছোটবেলা থেকেও এমন ইনিংস আর কখনও দেখিনি। অধিনায়ক হিসেবে আমি সত্যিই খুব খুশি।”
নিজের ইনিংস নিয়ে শাদাবও উচ্ছ্বসিত। তবে পুরো কৃতিত্ব একা নিতে চাননি তিনি। হারিস রউফের ধৈর্যশীল ব্যাটিংকেও সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।
শেষ উইকেট জুটিতে দুজনের মধ্যে কী আলোচনা হচ্ছিল, সেটিও পুরোপুরি প্রকাশ করেননি শাদাব। বরং মজার ছলে জানান, ক্রিকেটের চেয়ে অন্য বিষয় নিয়েই তারা বেশি কথা বলছিলেন।
ইংল্যান্ডের ২৪১ রানের জবাবে ৪৭.১ ওভারে ২৪৩ রান করে ১ উইকেটের অবিশ্বাস্য জয় পায় পাকিস্তান। এই জয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালও নিশ্চিত করেছে তারা।














