Image

এমবাপের ঝলকে রিয়ালের বড় জয়

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 3 ঘন্টা আগেআপডেট: 53 মিনিট আগে
এমবাপের ঝলকে রিয়ালের বড় জয়

এমবাপের ঝলকে রিয়ালের বড় জয়

এমবাপের ঝলকে রিয়ালের বড় জয়

রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই দেখা গেল আক্রমণাত্মক ফুটবলের ঝলক। কিলিয়ান এমবাপের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে রিয়াল সোসিয়েদাদকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৪-১ গোলের এই জয়ে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানও ধরে রেখেছে তারা।

ম্যাচের শুরুতেই ছোট ছোট পাসে আক্রমণ সাজিয়ে প্রথম বড় সুযোগ তৈরি করে সোসিয়েদাদ। ১১তম মিনিটে সতীর্থের পাস ধরে ডি-বক্সের ভেতর ফাঁকা জায়গায় বল পান মিকেল ওইয়ারসাবাল। স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডের শক্তিশালী শট অবশ্য পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন রিয়ালের গোলরক্ষক তিবো কোর্তোয়া।

এর মাত্র পাঁচ মিনিট পরই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফেদে ভালভের্দের দুর্দান্ত পাস ডি-বক্সে অসাধারণ এক ছোঁয়ায় নিয়ন্ত্রণে নেন এমবাপে। প্রতিপক্ষের বাধা এড়িয়ে নিখুঁত কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন ফরাসি তারকা।

গোল হজমের পরও সুযোগ তৈরি করতে থাকে রিয়াল। ২৬তম মিনিটে এমবাপের পাস পেয়ে ডি-বক্সে একেবারে ফাঁকা জায়গায় চলে যান ভিনিসিউস জুনিয়র। সামনে ছিলেন শুধু গোলরক্ষক আলেক্স রেমিরো। তবে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের শট পা দিয়ে দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন সোসিয়েদাদ গোলরক্ষক।

অন্যদিকে প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচে সমতা ফেরানোর সুযোগ পায় সোসিয়েদাদ। ৩৫তম মিনিটে ডান দিক থেকে ওইয়ারসাবালের বাড়ানো ক্রস পেয়ে বাঁ দিক থেকে জোরালো ভলি করেন সের্হিও গোমেস। কিন্তু তাঁর শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

এরপরও অবশ্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি সফরকারীদের। রিয়ালের রক্ষণভাগের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সমতায় ফেরে সোসিয়েদাদ। ডি-বক্সে ওচিয়েংয়ের নেওয়া দুর্বল শট এক স্বাগতিক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে অন্যদিকে চলে যায়। সেই সুযোগে ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে কোনাকুনি শটে কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন ক্রোয়াট মিডফিল্ডার সুচিচ।

বিরতির পর আরও আগ্রাসী হয়ে মাঠে নামে রিয়াল মাদ্রিদ। ৬০তম মিনিটে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় তারা। জুড বেলিংহ্যামের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়ার পর জায়গা তৈরি করে কোনাকুনি শটে রেমিরোকে পরাস্ত করেন এমবাপে। নিজের দ্বিতীয় গোলের পাশাপাশি দলকে এনে দেন গুরুত্বপূর্ণ লিড।

এর মাত্র আট মিনিট পর ব্যবধান আরও বাড়ায় রিয়াল। নিজেদের অর্ধে পজেশন হারানোর পর রিয়ালের আক্রমণ দ্রুত এগিয়ে যায়। বেলিংহ্যাম ডি-বক্সের সামনে বল পেয়ে দুই প্রতিপক্ষের মাঝ দিয়ে ঢুকে শট নেন। তাঁর শট প্রতিহত হলেও হাল ছাড়েননি ইংলিশ মিডফিল্ডার। বল পুনরুদ্ধার করে বাইলাইন থেকে গোলমুখে বাড়ানো পাস থেকে সহজ ট্যাপে বল জালে পাঠান ভিনিসিউস জুনিয়র।

৮০তম মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তটি আসে। ভিনিসিউসের দারুণ থ্রু পাস দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে পেয়ে যান এমবাপে। ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নিখুঁত শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ফরাসি তারকা।

নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে রিয়ালের হয়ে আরও একটি গোল করেছিলেন বদলি হিসেবে নামা ব্রাহিম দিয়াস। তবে ভিএআরের সহায়তায় অফসাইড শনাক্ত হওয়ায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়। ফলে ব্যবধান আর বাড়েনি।

ম্যাচের শুরুতে গোল করে এগিয়ে যাওয়ার পর কিছুটা দুর্ভাগ্য এবং রক্ষণভাগের ভুলে সমতা ফিরতে দিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের সামর্থ্যের পুরোটা দেখিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত এমবাপের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে ৪-১ গোলের বড় জয় পায় রিয়াল।

টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে পরের দুই অবস্থানে রয়েছে সেভিয়া ও রিয়াল বেতিস।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three