এক রকেটে ১৫ স্যাটেলাইট, মহাকাশে নতুন রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ কোরিয়া
- 1
এক গোল, দুই অ্যাসিস্টে আন্তর্জাতিক বিদায় রাঙালেন মেসি
- 2
মেসির বিদায়ে আপ্লুত নেইমার, ‘তোমার সঙ্গে ইতিহাসের অংশ হতে পারা সম্মানের’
- 3
‘আমরা নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিলাম’, বিশ্বকাপ ফাইনালে হার নিয়ে মুখ খুললেন মেসি
- 4
এক রকেটে ১৫ স্যাটেলাইট, মহাকাশে নতুন রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ কোরিয়া
- 5
শ্রেয়াসের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে উইন্ডিজকে উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে ভারত

এক রকেটে ১৫ স্যাটেলাইট, মহাকাশে নতুন রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ কোরিয়া
এক রকেটে ১৫ স্যাটেলাইট, মহাকাশে নতুন রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ কোরিয়া
দক্ষিণ কোরিয়া নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘নুরি’ রকেটের পঞ্চম উৎক্ষেপণ মিশনে একসঙ্গে ১৫টি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়ে বড় সাফল্য পেয়েছে। বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে দেশটির গোহেউংয়ে অবস্থিত নরো স্পেস সেন্টার থেকে কোরিয়া স্পেস লঞ্চ ভেহিকল-২ (KSLV-2) বা ‘নুরি’ উৎক্ষেপণ করা হয়।
তিন ধাপের তরল জ্বালানিচালিত রকেটটি উৎক্ষেপণের পর প্রথম ধাপ, পেলোড ফেয়ারিং এবং দ্বিতীয় ধাপ নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সফলভাবে বিচ্ছিন্ন হয়।
উৎক্ষেপণের প্রায় ১২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড পর ৫৭৫ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে নুরির তৃতীয় ধাপের ইঞ্জিন বন্ধ করা হয়। এরপর শুরু হয় নির্ধারিত কক্ষপথে স্যাটেলাইটগুলো স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া।
এই মিশনের প্রধান লক্ষ্য ছিল জাতীয় নিরাপত্তার জন্য নিউ-স্পেস আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন ‘নিওনস্যাট’-এর পাঁচটি ক্ষুদ্র স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠানো। ৩৫ থেকে ৪০ সেকেন্ডের ব্যবধানে স্যাটেলাইটগুলো একে একে নির্ধারিত কক্ষপথে স্থাপন করা হয়।
এরপর আরও ১০টি ছোট আকারের একাডেমিক ও বাণিজ্যিক কিউবস্যাট বা ন্যানোস্যাটেলাইট জোড়ায় জোড়ায় প্রায় ১০ সেকেন্ডের ব্যবধানে কক্ষপথে পাঠানো হয়।
নুরির আগের, অর্থাৎ চতুর্থ উৎক্ষেপণ মিশনে একটি প্রধান পেলোড ছিল। সে তুলনায় এবার একই মিশনে ১৫টি স্যাটেলাইট সফলভাবে স্থাপন করায় এর জটিলতা অনেক বেড়েছিল। ফলে নুরির পঞ্চম উৎক্ষেপণকে দক্ষিণ কোরিয়ার মহাকাশ কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিশন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মিশন শেষ হওয়ার পর সংঘর্ষ এড়াতে নুরি নির্ধারিত কয়েকটি কৌশলগত গতিপথ পরিবর্তন করবে। এরপর রকেটটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশ করে পুড়ে যাবে।
নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রকেট ব্যবহার করে একসঙ্গে এতগুলো স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠানোর এই সাফল্য দক্ষিণ কোরিয়ার মহাকাশ সক্ষমতার অগ্রগতিকে আরও দৃশ্যমান করেছে।















