রোনালদো, মেসি ও নেইমার—তিন মহাতারকারই সতীর্থ ছিলেন যাঁরা
- 1
ইন্টার মায়ামির ইতিহাস: মেসির আগে ও পরে, ট্রফি ও রেকর্ড
- 2
বার্সেলোনা বনাম রিয়াল মাদ্রিদ লাইভ: এল ক্লাসিকোর ইতিহাস, শেষ ৫ ম্যাচ ও আজকের খেলা
- 3
চেলসির পূর্ণ ইতিহাস: প্রতিষ্ঠা, সব ট্রফি, রেকর্ড ও বিশ্বজয়ের গল্প
- 4
কাজেমিরোর আত্মঘাতী গোল, মেসির ১৩ ম্যাচের গোলধারায় ছেদ
- 5
সুসময় ফেরাতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নতুন কোচ পোলার্ড

রোনালদো, মেসি ও নেইমার—তিন মহাতারকারই সতীর্থ ছিলেন যাঁরা
রোনালদো, মেসি ও নেইমার—তিন মহাতারকারই সতীর্থ ছিলেন যাঁরা
রোনালদো, মেসি ও নেইমারের সঙ্গে মাঠ ভাগ করার বিরল কীর্তি যাঁদের
ফুটবল ইতিহাসে অসংখ্য তারকা এসেছেন-গেছেন, কিন্তু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি ও নেইমার—এই তিন মহাতারকার সঙ্গেই খেলেছেন এমন ফুটবলারের সংখ্যা হাতে গোনা। একই ক্যারিয়ারে তিন ভিন্ন যুগের তিন কিংবদন্তির সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগ করা সত্যিই বিরল সৌভাগ্যের ব্যাপার।
সেই ছোট্ট কিন্তু উজ্জ্বল তালিকায় নতুন সংযোজন কাসেমিরো। রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদোর সঙ্গে তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার জাতীয় দলে খেলেছেন নেইমারের সঙ্গে, আর এখন ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়ে হয়েছেন মেসির সতীর্থ।
কাসেমিরোর আগে কারা পেয়েছিলেন এই বিরল সৌভাগ্য? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
কাসেমিরো: তিন যুগের তিন তারকার সঙ্গী
কাসেমিরোর ক্যারিয়ার যেন আধুনিক ফুটবলের এক সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। রিয়াল মাদ্রিদে তিনি ছিলেন রোনালদোর অন্যতম ভরসা। ব্রাজিল দলে নেইমারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সতীর্থ। আর ইন্টার মায়ামিতে এসে এখন খেলছেন মেসির পাশে। তিন কিংবদন্তির সঙ্গে একই ক্যারিয়ারে খেলার বিরল কীর্তিতে তাই তার নাম এখন নিশ্চিতভাবেই যুক্ত হয়েছে।
সের্হিও রামোস
সম্ভবত সবচেয়ে নাটকীয় যাত্রাপথ রামোসের। ২০০৫ থেকে ২০২১ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে টানা ১৬ বছর রোনালদোর সঙ্গে খেলেছেন এবং একাধিক চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। এল ক্লাসিকোয় বহু বছর মেসির সবচেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ ছিলেন তিনি। এরপর ২০২১ সালে পিএসজিতে গিয়ে মেসির সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগ করেন। একই সময়ে সতীর্থ হিসেবে পান নেইমারকেও।
আনহেল দি মারিয়া
আর্জেন্টিনা দলে ২০০৮ সাল থেকে মেসির সঙ্গে তার দীর্ঘ জুটি এখন ইতিহাসের অংশ। ২০১০-২০১৪ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদোর সঙ্গে খেলেছেন এবং ২০১৪ সালে লা দেসিমা জিতেছেন। এরপর ২০১৫ সালে পিএসজিতে যোগ দিয়ে ২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত নেইমারের সতীর্থ ছিলেন।
কেইলর নাভাস
কোস্টারিকান এই গোলরক্ষক তিন মহাতারকার খেলাকে সবচেয়ে কাছ থেকে দেখেছেন। ২০১৪-২০১৯ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদোর সঙ্গে তিনটি টানা চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। ২০১৯ সালে পিএসজিতে গিয়ে প্রথমে নেইমার, পরে ২০২১ সাল থেকে মেসির সতীর্থ হন।
জেরার্ড পিকে
গল্পের শুরু লা মাসিয়ায়, যেখানে কিশোর মেসি ও পিকে একসঙ্গে অনুশীলন করতেন। ২০০৪ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে গিয়ে তরুণ রোনালদোর সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগ করেন। ২০০৮ সালে বার্সেলোনায় ফিরে মেসির সঙ্গে অসংখ্য শিরোপা জেতেন। ২০১৩-২০১৭ পর্যন্ত নেইমারও ছিলেন তার সতীর্থ।
আশরাফ হাকিমি
রিয়াল মাদ্রিদে ক্যারিয়ার শুরু করে রোনালদোর সঙ্গে খেলেছেন এবং ২০১৭-১৮ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। পরে ইন্টার মিলান হয়ে ২০২১ সালে পিএসজিতে যোগ দেন। সেখানে দুই মৌসুম ধরে মেসি ও নেইমারের সতীর্থ ছিলেন।
আর্থার মেলো
২০১৮-২০২০ পর্যন্ত বার্সেলোনায় মেসির সঙ্গে খেলেছেন। ২০২০-২০২১ মৌসুমে জুভেন্টাসে গিয়ে রোনালদোর সতীর্থ হন। আর ব্রাজিল জাতীয় দলে খেলেছেন নেইমারের সঙ্গে।
আন্দ্রে গোমেজ
২০১৬-২০১৭ মৌসুমে বার্সেলোনায় মেসি ও নেইমারের পাশে খেলেছেন। একই সময়ে পর্তুগাল জাতীয় দলে রোনালদোর সতীর্থ ছিলেন।
পাবলো সারাবিয়া
সবচেয়ে অদ্ভুত সংযোগগুলোর একটি সারাবিয়ার। ২০১০ সালে রিয়াল মাদ্রিদের মূল দলে একমাত্র ম্যাচে তিনি মাঠে নামেন রোনালদোর বদলি হিসেবে। পরে হেতাফে ও সেভিয়ায় খেলে ২০১৯ সালে পিএসজিতে যোগ দেন, যেখানে পান নেইমার এবং পরে মেসিকে।
পিএসজি-পর্তুগাল চতুষ্টয়
দানিলো পেরেইরা
২০২০ সালে পিএসজিতে যোগ দিয়ে মেসি ও নেইমারের সতীর্থ হন। জাতীয় দলে রোনালদোর সঙ্গে খেলেছেন।
নুনো মেন্দেস
২০২১ সালে পিএসজিতে এসে মেসি-নেইমারের পাশে খেলেন, আর পর্তুগাল দলে রোনালদোর সঙ্গে।
ভিতিনিয়া
২০২২ সালে পিএসজিতে যোগ দিয়ে মেসি ও নেইমারের সতীর্থ হন। জাতীয় দলে রোনালদোর সঙ্গে খেলছেন।
রেনাতো সানচেজ
পিএসজিতে মেসি-নেইমারের সতীর্থ এবং পর্তুগাল দলে রোনালদোর সঙ্গী।












