এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে রিয়ালের হার, মরিনিওর জয়ের রথ থামাল বেতিস
- 1
ইমরান খানের চিকিৎসা নিয়ে লারার উদ্বেগ, ‘প্রাপ্য মর্যাদা নিশ্চিত করুন’
- 2
এমবাপ্পে-রোনালদোকে পেছনে ফেলে ৩০০ গোলের মাইলফলকে হালান্ড
- 3
ইয়ামালের জোড়া গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
- 4
অবশেষে গোপন প্রেম প্রকাশ্যে, সিদ্ধার্থ নিগমের প্রেমিকা রিয়া ঠাক্কার
- 5
ইংল্যান্ডে ভরাডুবির পর পাকিস্তান দলে বড়সড় পরিবর্তন, বাদ পড়ার নেপথ্যে পারফরম্যান্সের সঙ্গে আচরণও

এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে রিয়ালের হার, মরিনিওর জয়ের রথ থামাল বেতিস
এমবাপ্পের পেনাল্টি মিসে রিয়ালের হার, মরিনিওর জয়ের রথ থামাল বেতিস
দারুণ ছন্দে শুরু করা মৌসুমে প্রথম ধাক্কা খেল রিয়াল মাদ্রিদ। জোসে মরিনিওর দ্বিতীয় মেয়াদে টানা তিন জয়ের পর প্রথম হারের স্বাদ পেল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। শুক্রবার রাতে লা লিগার চতুর্থ রাউন্ডে বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে রিয়াল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস পরাজয়ের হতাশাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে ৮১ মিনিটে। নেলসন দেউসার হেড থিবো কোর্তোয়া ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বল পেয়ে যান বদলি হিসেবে নামা ট্রয় পারট। কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে বেতিসকে এগিয়ে দেন তিনি। এরপর বাকি সময়জুড়ে রিয়াল সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি।
রিয়ালের জন্য সবচেয়ে বড় সুযোগ আসে যোগ করা সময়ে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নাথান ফাউল করায় পেনাল্টি পায় রিয়াল। স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন এমবাপ্পে। কিন্তু বেতিস গোলরক্ষক আলভারো ভায়েস তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন। ফিরতি বলেও এমবাপ্পেকে দ্বিতীয়বার শট নেওয়ার সুযোগ দেননি মার্ক বার্ত্রা।
এরপরই শুরু হয় পেনাল্টি পুনরায় নেওয়া উচিত ছিল কি না—এই বিতর্ক। রিয়াল সমর্থকদের দাবি ছিল, এমবাপ্পে শট নেওয়ার আগেই বার্ত্রা পেনাল্টি এলাকায় ঢুকে পড়েছিলেন। তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’র ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বার্ত্রা সত্যিই আগে এগিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু এমবাপ্পে বল স্পর্শ করার মুহূর্তে তাঁর পা মাটিতে বক্সের ভেতরে ছিল না। তিনি তখন বাতাসে ছিলেন। তাই নিয়ম অনুযায়ী পেনাল্টি পুনরায় নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
রিয়াল অবশ্য পুরো ম্যাচে সুযোগের দিক থেকে পিছিয়ে ছিল না। প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এমবাপ্পের একাধিক প্রচেষ্টাও বেতিসের ডিফেন্ডার নাথান ও বার্ত্রা আটকে দেন। দ্বিতীয়ার্ধে এমবাপ্পের একটি শট ক্রসবারে লেগেও ফিরে আসে।
৮৭ মিনিটে আরও একবার গোলের দেখা পেয়েছিল রিয়াল। কার্লোস এস্পি দুর্দান্ত বাইসাইকেল কিকে বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল হয়। শেষ পর্যন্ত বেতিসের রক্ষণ ও ভায়েসের অসাধারণ গোলকিপিংয়ে জয় নিশ্চিত হয়।
এই হারে লা লিগায় মরিনিওর টানা তিন জয়ের শুরু থেমে গেল। ম্যাচ শেষে অবশ্য নিজের দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টির কথাই জানিয়েছেন পর্তুগিজ কোচ। তাঁর মতে, রিয়াল ম্যাচে আধিপত্য দেখিয়েছে এবং জয়ের মতো যথেষ্ট সুযোগও তৈরি করেছিল। তবে ফুটবলে শুধু জয়ের যোগ্য হলেই পয়েন্ট পাওয়া যায় না।
রেফারিং নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেছেন মরিনিও। পরে এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতায় বলেছেন, বেতিসের এক খেলোয়াড়কে ডাগআউটের সামনে এমনভাবে পড়ে থাকতে দেখে তাঁর মনে হয়েছিল অ্যাম্বুলেন্স আসতে হবে! তবে রেফারিংকে হারের মূল কারণ হিসেবে দেখাতে চাননি তিনি।
চার ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ আপাতত লিগের শীর্ষ দিকেই আছে। তবে বেতিসের বিপক্ষে এই হার তাদের নিখুঁত শুরুর ইতি টেনেছে এবং সামনে আরও চাপ তৈরি করেছে।












