লাবুশেনকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, টেস্ট দলে চমক কনোলি
- 1
ইমরান খানের চিকিৎসা নিয়ে লারার উদ্বেগ, ‘প্রাপ্য মর্যাদা নিশ্চিত করুন’
- 2
এমবাপ্পে-রোনালদোকে পেছনে ফেলে ৩০০ গোলের মাইলফলকে হালান্ড
- 3
ইয়ামালের জোড়া গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
- 4
অবশেষে গোপন প্রেম প্রকাশ্যে, সিদ্ধার্থ নিগমের প্রেমিকা রিয়া ঠাক্কার
- 5
ইংল্যান্ডে ভরাডুবির পর পাকিস্তান দলে বড়সড় পরিবর্তন, বাদ পড়ার নেপথ্যে পারফরম্যান্সের সঙ্গে আচরণও

লাবুশেনকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, টেস্ট দলে চমক কনোলি
লাবুশেনকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, টেস্ট দলে চমক কনোলি
ফর্মহীনতার দীর্ঘ সময় পেরিয়েও অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে জায়গা ধরে রেখেছেন মার্নাস লাবুশেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ঘোষিত অস্ট্রেলিয়ার ১৬ সদস্যের টেস্ট দলে সবচেয়ে আলোচিত নাম সম্ভবত এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের। একই সঙ্গে দলে জায়গা পেয়েছেন তরুণ অলরাউন্ডার কুপার কনোলি, যা নির্বাচকদের বড় চমক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
লাবুশেনের সাম্প্রতিক ফর্ম অবশ্য তাঁর পক্ষে কথা বলছে না। সবশেষ ১০ ইনিংসে তাঁর কোনো ফিফটি নেই। তিন বছরের বেশি সময় ধরে নেই সেঞ্চুরিও। বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ সিরিজে তিন ইনিংসে তাঁর রান ছিল ১, ৩১ ও ৪। সবশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন ২০২৩ সালের জুলাইয়ে—এরপর কেটে গেছে ৪৩ ইনিংস। এই সময়ে তাঁর ব্যাটিং গড় মাত্র ২৪.৬৯।
এমন পারফরম্যান্সের পরও নির্বাচকেরা আরেকবার তাঁর ওপর আস্থা রেখেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ চলাকালীন সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং ধারাভাষ্যে বলেছিলেন, লাবুশেনকে অনেক আগেই বাদ দেওয়া উচিত ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দলেও তাঁকে রাখা হয়নি। তবে টেস্টে আরও একটি সুযোগ দেওয়া হয়েছে সাবেক এক নম্বর টেস্ট ব্যাটসম্যানকে।
প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি মনে করেন, লাবুশেন এখনও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।
বেইলি বলেন, ‘মার্নের কাছ থেকে আমরা আরও রান চাই—এটা আমরা অস্বীকার করছি না। বিষয়টি স্পষ্ট। তবে আমরা বিশ্বাস করি, সে এখনও স্কোয়াডে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারবে।’
লাবুশেনের জন্য ওয়ানডে সিরিজে না থাকাটাও বরং সুবিধা হতে পারে বলে মনে করছেন বেইলি। তাঁর মতে, এতে লাবুশেন দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতিতে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবেন এবং নিজের ব্যাটিং আরও উন্নত করার সুযোগ পাবেন।
এদিকে দলে জায়গা পেয়েছেন কুপার কনোলি। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে নিয়মিত সুযোগ পাওয়া এই তরুণের গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। সেই ম্যাচের একমাত্র ইনিংসে অবশ্য ভালো করতে পারেননি তিনি। তারপরও তাঁর প্রতিভার ওপর আস্থা রেখেই আবার সুযোগ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকরা।
পেস বিভাগেও ফিরেছেন মাইকেল নিসার। গত অ্যাশেজে বল হাতে দারুণ পারফর্ম করা এই পেসারকে আবারও স্কোয়াডে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে দলে ফেরা ম্যাট রেনশও টিকে গেছেন। উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান হিসেবে অ্যালেক্স কেয়ারির পাশাপাশি দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে জশ ইংলিসকে।
স্পিন বিভাগে ন্যাথান লায়নের সঙ্গে দ্বিতীয় স্পিনার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন বাঁহাতি ম্যাথু কুনেমান। গত অ্যাশেজে লায়ন চোটে ছিটকে গেলে সুযোগ পেয়েছিলেন টড মার্ফি। এবার তাঁর পরিবর্তে কুনেমানকে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকেরা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু হবে আগামী ৯ অক্টোবর। ২০১৮ সালের বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট স্কোয়াড: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স কেয়ারি, কুপার কনোলি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হেইজেলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, ন্যাথান লায়ন, মাইকেল নিসার, ম্যাট রেনশ, স্টিভেন স্মিথ, মিচেল স্টার্ক ও বাউ ওয়েবস্টার।














