পাল্টা প্রশ্ন করে চমকে দিলেন শান্ত, এরপর জানালেন অস্ট্রেলিয়া সফরের পরিকল্পনা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 5 ঘন্টা আগেআপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
পাল্টা প্রশ্ন করে চমকে দিলেন শান্ত, এরপর জানালেন অস্ট্রেলিয়া সফরের পরিকল্পনা

পাল্টা প্রশ্ন করে চমকে দিলেন শান্ত, এরপর জানালেন অস্ট্রেলিয়া সফরের পরিকল্পনা

পাল্টা প্রশ্ন করে চমকে দিলেন শান্ত, এরপর জানালেন অস্ট্রেলিয়া সফরের পরিকল্পনা

বাংলাদেশের সামনে অপেক্ষা করছে বহু প্রতীক্ষিত এক অস্ট্রেলিয়া সফর। প্রায় ২৩ বছর পর দেশটির মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা, আর সেই সিরিজকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ ও প্রত্যাশা। তবে সিরিজ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেট নিয়ে কথা শুরুর আগে ভিন্ন এক আবহ তৈরি করলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

অনুশীলন শেষে হাসিমুখে সংবাদ সম্মেলনে এসে শান্ত প্রথমেই সাংবাদিকদের উদ্দেশে জানতে চান, অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশের কাছ থেকে তারা কী আশা করছেন। দীর্ঘদিন ক্রিকেট কাভার করা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের কাছ থেকেও মতামত চান তিনি। তার এমন প্রশ্নে মুহূর্তেই হালকা হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ।

এক সাংবাদিক সংক্ষেপে বলেন, “ভালো ক্রিকেট খেলুক বাংলাদেশ।” তখন শান্ত মুচকি হেসে পাল্টা জিজ্ঞেস করেন, “আমি যদি এই উত্তর দিতাম, আপনাদের ভালো লাগত?” পরে আরেক সাংবাদিক ড্র করতে পারলে খুশি হওয়ার কথা বললে শান্ত হাসতে হাসতেই বলেন, “এই উত্তরটা অনেক ভালো হয়েছে, একটু মজা করলাম।”

রসিকতার পর শান্ত গম্ভীর সুরে বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে পারাটা তার জন্য বিশেষ সম্মানের। তার মতে, গত দুই দশকে বাংলাদেশ আরও বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পেতে পারত, যদি ধারাবাহিকভাবে আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারত। এবার দলের মূল লক্ষ্য শুধু ম্যাচ জেতা নয়, বরং শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলে সম্মান অর্জন করা। ভালো পারফরম্যান্স ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ায় আরও সিরিজ খেলার দরজাও খুলে দিতে পারে বলে বিশ্বাস তার।

নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম ও লিটন দাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটাররা ইনজুরিতে ছিটকে গেলেও দল নিয়ে কোনো হতাশা দেখাতে চাননি শান্ত। বরং তিনি জানিয়েছেন, যে স্কোয়াড অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছে তাদের ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কারা থাকলে দল আরও শক্তিশালী হতো, সেটা ভাবার চেয়ে বর্তমান দল কতটা বিশ্বাস ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে পারে, সেটাকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন অধিনায়ক।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের যে উন্নতি হয়েছে, সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য। শান্ত মনে করেন, অস্ট্রেলিয়ার ভিন্ন কন্ডিশনে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আলাদা কোনো বিশেষ পরিকল্পনার কথা না বললেও তিনি স্পষ্ট করেছেন, দলকে বর্তমান অবস্থান থেকে আরও এগিয়ে নিতে চান, পিছিয়ে যেতে নয়।

সমর্থকদের বাড়তি প্রত্যাশাকেও ইতিবাচকভাবেই দেখছেন শান্ত। তার মতে, একসময় বাংলাদেশের মানুষ বড় দলের বিপক্ষে জয়ের কথা ভাবত না, এখন তারা প্রতিটি ম্যাচেই জয় দেখতে চায়—এটাই দেশের ক্রিকেটের অগ্রগতির প্রমাণ। সেই বিশ্বাসের মর্যাদা দিতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও জয় পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েই খেলবে বাংলাদেশ।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three