মেসির বাবার মৃত্যুর খবর কি সত্যি?
- 1
৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, ব্যাটসম্যানদের আউট হওয়ার ধরন নিয়ে হতাশ কোচ সিমন্স | প্রস্তুতি ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হার, অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে চাপে বাংলাদেশ
- 2
বিশ্বকাপে মেসিকে ‘বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি, ফাঁস এফবিআইয়ের গোপন নথি
- 3
মেসির বাবার মৃত্যুর খবর কি সত্যি?
- 4
জল্পনার অবসান, ২০৩২ সাল পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র
- 5
এক ভোটের ব্যবধানে ক্যারিকে হারিয়ে মুকুট ধরে রাখলেন হেড

মেসির বাবার মৃত্যুর খবর কি সত্যি?
মেসির বাবার মৃত্যুর খবর কি সত্যি?
আর্জেন্টিনার ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ইনফোবে দাবি করেছে, শুক্রবার রাতে রোজারিওর একটি সানাতোরিওতে (ক্লিনিক) তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পরে স্প্যানিশ দৈনিক মার্কাসহ আরও কয়েকটি গণমাধ্যমও সেই প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে খবর প্রকাশ করে।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত মেসি পরিবার কিংবা আর্জেন্টিনার প্রধান ধারার অন্য কোনো সংবাদমাধ্যম এই খবর নিশ্চিত করেনি। ফলে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
২০২৬ বিশ্বকাপের সময় থেকেই সিনিয়র মেসির শারীরিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে গোল করার পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন লিওনেল মেসি। পরে হ্যাটট্রিকের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ব্যক্তিগত জীবনে একটি কঠিন সময় পার করছেন। এরপর মেসি পরিবার এক বিবৃতিতে জানায়, হোর্হে মেসি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন এবং তাঁর অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
বিশ্বকাপ শেষে মেসি নিজ শহর রোজারিওতে ফিরে বাবার সঙ্গে সময় কাটান। এরপর আবার ইন্টার মায়ামির অনুশীলনে যোগ দেন এবং ক্লাবের হয়ে ম্যাচও খেলেন।
হোর্হে মেসি শুধু একজন বাবা নন, বরং লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থপতি। পেশায় তিনি ছিলেন একজন রাসায়নিক প্রযুক্তিবিদ। তরুণ বয়সে নিজেও নিউয়েলস ওল্ড বয়েজের যুবদলে মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেছিলেন, যদিও সামরিক চাকরির কারণে ফুটবলের স্বপ্ন পূরণ হয়নি।
লিওনেল মেসির শৈশবে গ্রোথ হরমোন চিকিৎসার ব্যয় বহন করা পরিবারের জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। আর্জেন্টিনার বিভিন্ন ক্লাবের দ্বারস্থ হলেও কাঙ্ক্ষিত সহায়তা পাননি হোর্হে। শেষ পর্যন্ত বার্সেলোনার সঙ্গে ঐতিহাসিক সেই চুক্তি সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। মাত্র ১৩ বছর বয়সে মেসিকে স্পেনে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসা, বেতন, বাসস্থান এবং পরিবারের সহায়তার ব্যবস্থাও নিশ্চিত হয়েছিল সেই চুক্তির মাধ্যমে।
দীর্ঘ সময় ধরে তিনি মেসির ব্যক্তিগত প্রতিনিধি ও ব্যবসায়িক বিষয়গুলোর দেখভাল করেছেন। বড় বড় স্পনসরশিপ চুক্তি, বাণিজ্যিক আলোচনা এবং ক্যারিয়ারসংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রচারমাধ্যম থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করলেও পরিবারের বিশেষ মুহূর্তগুলো মাঝে মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করতেন তিনি।
সব মিলিয়ে, হোর্হে মেসিকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া খবরটি বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিলেও এ মুহূর্তে এটিকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে ধরা যাচ্ছে না। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি গুঞ্জন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।











