র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান মাঠেও, মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলে হার বাংলাদেশের
- 1
বায়ার্নেই থাকতে চান হ্যারি কেইন, নতুন চুক্তির পথে বড় অগ্রগতি
- 2
বিশ্বকাপের হতাশা এখনও পোড়ায় ইংল্যান্ডকে, সাকার কথায় সেই ‘ক্ষত’
- 3
কলকাতায় নামার আগেই কার্লো আনচেলত্তির গর্জন: ‘ব্রাজিলের অভিধানে প্রীতি ম্যাচ বলে কিছু নেই’
- 4
রোনালদোর মতো ৪১ বছর পর্যন্ত ফ্রান্সে খেলা সম্ভব নয়: এমবাপ্পে
- 5
দুই গোল করলেই রোনালদোকে তুলে নিতে চান পর্তুগাল কোচ

র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান মাঠেও, মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলে হার বাংলাদেশের
র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধান মাঠেও, মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলে হার বাংলাদেশের
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের ব্যবধান ৪৫ ধাপ। মাঠের লড়াইয়েও সেই পার্থক্যের ছাপ স্পষ্ট হলো। প্রথমবারের মতো ফিফা আসিয়ান কাপের মঞ্চে নামা বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩–০ গোলে হেরেছে।
জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রেখেই জয় তুলে নেয় মালয়েশিয়া। প্রথমার্ধে দুই গোল করে এগিয়ে যায় তারা। বিরতির পর আরও একবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠিয়ে ৩–০ ব্যবধান নিশ্চিত করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দলটি।
প্রথমার্ধেই দুই গোল, চাপে বাংলাদেশ
ম্যাচের শুরু থেকেই মালয়েশিয়া আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করে তারা। বিপরীতে বাংলাদেশ মাঝমাঠে বলের দখল ধরে রাখতে এবং আক্রমণে ধার তৈরি করতে সমস্যায় পড়ে।
প্রথমার্ধেই দুই গোল হজম করে বাংলাদেশ। ফলে বিরতিতে যাওয়ার আগেই ম্যাচে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে লাল-সবুজের দল।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও মালয়েশিয়ার রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। বরং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেই তৃতীয় গোলটি করে তারা। শেষ পর্যন্ত ৩–০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মালয়েশিয়া।

র্যাঙ্কিংয়ের ব্যবধানের প্রতিফলন
ম্যাচটির আগে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে মালয়েশিয়া ছিল ১৩৬তম স্থানে, আর বাংলাদেশ ১৮১তম। অর্থাৎ দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ৪৫ ধাপ। বাংলাদেশ কোচ থমাস ডুলিও ম্যাচের আগে মালয়েশিয়াসহ গ্রুপের প্রতিপক্ষদের তুলনামূলক শক্তিশালী হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটিই ছিল নতুন ফিফা আসিয়ান কাপে তাদের অভিষেক। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে গ্রুপ ‘এ’-তে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে রাখা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার জন্যও ম্যাচটি ছিল নিজেদের সাম্প্রতিক গোলখরা কাটানোর সুযোগ। ম্যাচের আগে তাদের আক্রমণভাগ নিয়ে প্রশ্ন ছিল; তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন গোল করে সেই চাপ আপাতত সরিয়ে দিয়েছে তারা।
সামনে সিঙ্গাপুর, এরপর ইন্দোনেশিয়া
৩–০ ব্যবধানে হার দিয়ে আসিয়ান কাপ অভিযান শুরু করায় বাংলাদেশের জন্য পরের ম্যাচগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। এরপর ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচ খেলবে তারা। দুটি ম্যাচই জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে।
বাংলাদেশ কোচ ডুলির কাছে এই টুর্নামেন্টটি আসন্ন নভেম্বরের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতিরও অংশ। ফলে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে পরাজয়ের পর এখন দলের সবচেয়ে বড় কাজ হবে রক্ষণে ভুল কমানো, মাঝমাঠে বলের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো এবং আক্রমণভাগে কার্যকর সুযোগ তৈরি করা।
বাংলাদেশ ০–৩ মালয়েশিয়া—অভিষেক ম্যাচে বড় হার দিয়ে শুরু হলেও সামনে এখনও দুটি গ্রুপ ম্যাচ বাকি। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকবে লাল-সবুজের দলের।














