ইয়ামালের জোড়া গোলে লেভান্তেকে ৪-২ হারিয়ে বার্সেলোনার পাঁচে পাঁচ
- 1
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডকে হারাল সিটি, ১০ জনের দল হয়েও হলান্ডের গোলে জয়
- 2
পাসপোর্টের গল্প মিথ্যা, এজবাস্টনে ব্যাট হাতে রাজাউল্লাহর ঝড়
- 3
মেসির দুর্দান্ত গোলেও জয়হীন মায়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২–২ ড্র
- 4
মা হলেন লেডি গাগা, মাইকেল পোলানস্কির সঙ্গে প্রথম সন্তান
- 5
অ্যানফিল্ডে আবারও হতাশ লিভারপুল, ঘরের মাঠেই যেন হারিয়ে যাচ্ছে জয়ের ধার

ইয়ামালের জোড়া গোলে লেভান্তেকে ৪-২ হারিয়ে বার্সেলোনার পাঁচে পাঁচ
ইয়ামালের জোড়া গোলে লেভান্তেকে ৪-২ হারিয়ে বার্সেলোনার পাঁচে পাঁচ
লা লিগায় দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। লামিন ইয়ামালের জোড়া গোল ও সতীর্থদের দারুণ পারফরম্যান্সে লেভান্তেকে তাদেরই মাঠে ৪-২ গোলে হারিয়েছে হান্সি ফ্লিকের দল। পাঁচ ম্যাচে এটি বার্সেলোনার পঞ্চম জয়।
ম্যাচের স্কোরলাইন দেখে সহজ জয় মনে হলেও বাস্তবে লেভান্তে বেশ কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। একাধিকবার বার্সেলোনার রক্ষণকে চাপে ফেলেছে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ইয়ামাল ও কারিম আদেইয়েমিদের নৈপুণ্যে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সা।
শুরুতেই বার্সেলোনার এগিয়ে যাওয়া
ম্যাচের মাত্র চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। রাফিনিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে শট নেন তরুণ লেফট-ব্যাক শাভি এসপার্ত। তার ডান পায়ের শট লেভান্তের এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়।
পেশাদার ফুটবলে এটি এসপার্তের প্রথম গোল।
তবে গোল হজম করেও ভেঙে পড়েনি লেভান্তে। ১৪তম মিনিটে রাতকভের শট ব্লক করে দেন পাউ কুবার্সি। এক মিনিট পর রজার ব্রুগেইয়ের শটও দারুণভাবে ঠেকান বার্সেলোনার গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়া।
ইয়ামালের জোড়া গোল
১৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে বার্সেলোনা। হাফিনিয়ার কাটব্যাক থেকে খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান লামিন ইয়ামাল। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডের সপ্তম গোল।
গোলটিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল হাফিনিয়ার। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে এটি ব্রাজিলিয়ান অধিনায়কের ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট।
তবে দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও আক্রমণ চালিয়ে যায় লেভান্তে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বার্সেলোনার রক্ষণে বেশ চাপ তৈরি করে স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবার গোল পায় বার্সা। ৪৮তম মিনিটে ইয়ামালকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় তারা। স্পট কিক থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ইয়ামাল।
শেষ দিকে জমে ওঠে ম্যাচ
তিন গোলে পিছিয়ে পড়েও লড়াই ছাড়েনি লেভান্তে। ৫৬তম মিনিটে হাফিনিয়ার শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। চার মিনিট পর গোললাইন থেকে আইভান রোমেরোর শট ঠেকিয়ে বার্সেলোনাকে রক্ষা করেন আন্দ্রেয়াস ক্রিস্তিয়েনসেন। পরের মিনিটেও রোমেরোর আরেকটি প্রচেষ্টা পা দিয়ে ঠেকান গার্সিয়া।
শেষ পর্যন্ত ৭৯তম মিনিটে লেভান্তে ব্যবধান কমায়। বার্সেলোনার রক্ষণে ভুলের সুযোগ নিয়ে বল পেয়ে যান রোমেরো। গোলরক্ষক গার্সিয়াকে কাটিয়ে সহজেই বল জালে পাঠান তিনি।
এরপর ম্যাচে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। ৮৮তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে লেভান্তেকে আরও কাছে নিয়ে আসেন ব্রুগেই। দুই ডিফেন্ডারের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি-বক্সে ঢুকে প্রথম শটটি গার্সিয়া ঠেকালেও ফিরতি বলে গোল করতে ভুল করেননি তিনি।
আদেইয়েমির গোলে স্বস্তি
২-৩ ব্যবধানে ম্যাচ শেষ হওয়ার শঙ্কায় থাকা বার্সেলোনাকে স্বস্তি এনে দেন কারিম আদেইয়েমি। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একের পর এক প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে ডি-বক্সে ঢোকেন তিনি। এরপর কাছের পোস্ট দিয়ে নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন জার্মান ফরোয়ার্ড।
তার গতি ও দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ে পুরোপুরি বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে লেভান্তের রক্ষণ।
এই জয়ে পাঁচ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে এককভাবে অবস্থান করছে বার্সেলোনা। পাঁচ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে লেভান্তে আছে ১৩তম স্থানে।
বার্সেলোনার জন্য তাই জয়টি শুধু টানা পাঁচ জয়ের নয়, কঠিন প্রতিরোধের মধ্যেও ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখার আরেকটি বড় বার্তা।













