বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন লিসান্দ্রো
- 1
ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বড় অঙ্কের অনুদান মেসির
- 2
অস্ট্রেলিয়া সফরে প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিন মিরাজের শতক
- 3
ফোন থেকেই যেভাবে SSC, JDC 2026 এর রেজাল্ট দেখবেন, অনলাইনে বা SMS এ, Institution Result, ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ বা বোর্ড চ্যালেঞ্জ
- 4
ম্যাচ জয়ের পর উত্তপ্ত বিতর্কে নেইমার
- 5
শরফুদ্দৌলাকে নিয়ে গুঞ্জন থামাতে বিসিবির আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা

বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন লিসান্দ্রো
বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন লিসান্দ্রো
আর্জেন্টিনার প্রস্তাবিত নতুন ভূমি আইন সংস্কারকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই সরকারের অবস্থানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য দেশের জমির মালিকানা অর্জনের পথ সহজ করার পরিকল্পনার বিরোধিতা করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পষ্ট অবস্থান তুলে ধরেছেন।
মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে আর্জেন্টিনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কয়েকটি ছবি শেয়ার করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই সেন্টার-ব্যাক আবেগঘন বার্তা দেন। তিনি লেখেন, “মাটি রক্ষা করো। আর্জেন্টিনার জমি বিক্রির জন্য নয়।”
সরকার এই সংস্কারকে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরলেও লিসান্দ্রোর বক্তব্যে উঠে এসেছে ভিন্ন সুর। তার মতে, দেশের মাটি ও প্রাকৃতিক সম্পদের মূল্য কেবল অর্থনৈতিক হিসাব দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না। মাতৃভূমির প্রতি আবেগ, ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার—এসবই এই প্রশ্নে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
ফুটবল মাঠে কঠোর মনোভাবের জন্য ‘দ্য বুচার’ নামে পরিচিত লিসান্দ্রো এবার যেন দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূমি সুরক্ষার প্রশ্নে নিজের অবস্থান আরও দৃঢ়ভাবে প্রকাশ করলেন। বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা ইঙ্গিত দিয়েছেন, যেকোনো সাফল্য বা ট্রফির চেয়েও দেশের এক টুকরো মাটির গুরুত্ব অনেক বেশি।
এটি প্রথমবার নয় যে তিনি জাতীয় বা সামাজিক ইস্যুতে মুখ খুললেন। অতীতেও আর্জেন্টিনার বিভিন্ন জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মত প্রকাশ করেছেন এই ডিফেন্ডার। এবারও দেশের স্বার্থে প্রতিবাদী কণ্ঠে নিজের অবস্থান জানিয়ে তিনি ভক্তদের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।
সরকারের প্রস্তাবিত ভূমি সংস্কার আইন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের মতো আন্তর্জাতিক তারকার প্রকাশ্য আপত্তি বিষয়টিকে আরও বড় জনআলোচনায় নিয়ে গেছে। মাঠের বাইরেও যে তিনি নিজের দেশের প্রশ্নে সমান লড়াকু, সেটিই আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠল তার এই বার্তায়।











