Image

বাবরের নেতৃত্ব নিয়েই প্রশ্ন আথারটনের, ‘পাকিস্তান দলে তাঁর কতটা কর্তৃত্ব আছে?’

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 3 ঘন্টা আগেআপডেট: 1 ঘন্টা আগে
বাবরের নেতৃত্ব নিয়েই প্রশ্ন আথারটনের, ‘পাকিস্তান দলে তাঁর কতটা কর্তৃত্ব আছে?’

বাবরের নেতৃত্ব নিয়েই প্রশ্ন আথারটনের, ‘পাকিস্তান দলে তাঁর কতটা কর্তৃত্ব আছে?’

বাবরের নেতৃত্ব নিয়েই প্রশ্ন আথারটনের, ‘পাকিস্তান দলে তাঁর কতটা কর্তৃত্ব আছে?’

শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, একজন অধিনায়কের নেতৃত্বের প্রভাব থাকা উচিত মাঠের বাইরেও। দল নির্বাচন থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—সব ক্ষেত্রেই অধিনায়কের মতামতের মূল্য থাকা স্বাভাবিক। তবে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম সেই ভূমিকা কতটা পালন করতে পারছেন, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল আথারটন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টের আগে পাকিস্তান দলে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। আর এই রদবদলই সামনে এনেছে বাবরের নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব নিয়ে আলোচনা। এত বড় সিদ্ধান্তে অধিনায়কের মতামত কতটা গুরুত্ব পেয়েছে, সেটিই এখন প্রশ্ন।

সিরিজের প্রথম দুই টেস্টেই বড় ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। হেডিংলিতে ইনিংস ও ১০৩ রানে জয়ের পর লর্ডসেও ১৯৪ রানে জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে ইংল্যান্ড।

এরপরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দলে বড় পরিবর্তন আনে। মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলী আগা ও ইমাম-উল-হকসহ সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। কোচিং স্টাফেও আসে পরিবর্তন। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় ও শেষ টেস্টে পাকিস্তানের দায়িত্ব পেয়েছেন সাদা বলের দলের কোচ মাইক হেসন। এজবাস্টনে ম্যাচটি শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর।

এমন পরিস্থিতিতেই বাবরের কর্তৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আথারটন। স্কাই স্পোর্টস ক্রিকেট পডকাস্টে পিসিবির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘন ঘন পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে দলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

আথারটনের ভাষায়, ‘এ ধরনের পরিবর্তনে দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষতি হবে। খেলোয়াড়দের এভাবে পরিচালনা করা কিংবা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরির জন্য এটি কোনো পথ নয়। বাবর আজমের মতো একজন অধিনায়কের জন্য এটি ভয়াবহ পরিস্থিতি। এই দলে বাবর বা পাকিস্তানের অন্য কোনো অধিনায়কের আসলে কতটা কর্তৃত্ব আছে?’

আধুনিক ক্রিকেটে অধিনায়কের হাতে আগের মতো সর্বময় ক্ষমতা নেই—এটিও স্বীকার করেছেন আথারটন। তবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে অধিনায়কের যথেষ্ট প্রভাব থাকা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এখনকার দিনে অধিনায়ক সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নন। ৩০ বছর আগের মতো পরিস্থিতিও নেই। তখন অধিনায়কেরাই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন। তবে একটি দলের ভেতরে অধিনায়কের কিছুটা কর্তৃত্ব থাকতেই হবে।’

এর মধ্যেই কঠিন সময় পার করছেন বাবর নিজেও। ইংল্যান্ড সফরের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে আবার পাকিস্তানের অধিনায়কত্ব ফিরে পান তিনি। এর আগে দলটির নেতৃত্বে ছিলেন শান মাসুদ।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে চোটের কারণে খেলতে পারেননি বাবর। দ্বিতীয় টেস্টে ফিরলেও দুই ইনিংসেই এক অঙ্কের রানে আউট হন। তার ওপর দলের এমন বড় রদবদল—সব মিলিয়ে পাকিস্তান অধিনায়কের নেতৃত্ব এখন বড় পরীক্ষার মুখে।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three