ভালভের্দের শেষ মুহূর্তের গোলেই এথেন্সে রিয়ালের নাটকীয় জয়
- 1
মাঠে ফাউলের শিকার, হাসপাতালে মারা গেলেন স্প্যানিশ ফুটবলার
- 2
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় ম্যাক্সওয়েলের, অপূর্ণ থাকল MCG-তে বিদায়ের স্বপ্ন
- 3
আজ স্পেনের মাটিতে নামছে পিএসজি, সতর্ক এনরিকে
- 4
মেসি-পরবর্তী আর্জেন্টিনার প্রথম দল, নেই দি পল–লো সেলসোও
- 5
শাহরুখের অনুরোধেই ‘তু মিল জায়ে’, গানের নেপথ্যের গল্প জানালেন এড শিরান

ভালভের্দের শেষ মুহূর্তের গোলেই এথেন্সে রিয়ালের নাটকীয় জয়
ভালভের্দের শেষ মুহূর্তের গোলেই এথেন্সে রিয়ালের নাটকীয় জয়
এইকে এথেন্স ২–৩ রিয়াল মাদ্রিদ: দুইবার পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে ফিরল মরিনিওর দল
চ্যাম্পিয়নস লিগে আরও একটি রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিল রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত এইকে এথেন্সকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে জোসে মরিনিওর দল। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ফেদে ভালভের্দের দুর্দান্ত এক দূরপাল্লার শটেই নিশ্চিত হয় রিয়ালের নাটকীয় জয়।
সাত মৌসুম পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরা গ্রিক ক্লাব এইকে এথেন্স শুরু থেকেই রিয়ালকে কঠিন চ্যালেঞ্জ জানায়। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে মিজাত গাচিনোভিচের শট ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। তবে ১২ মিনিটে আর পারেননি তিনি। লুকা ইয়োভিচের পাস পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে এইকেকে এগিয়ে দেন আবুবাকারি কোইতা।
প্রথমার্ধে আরও কয়েকবার রিয়ালের রক্ষণে চাপ তৈরি করে স্বাগতিকেরা। ইয়োভিচের একটি বিপজ্জনক শটও ঠেকাতে হয় কোর্তোয়াকে। তবে ৩২ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরায় রিয়াল। বাঁ দিক থেকে মার্ক কুকুরেয়ার বাড়ানো বল বক্সে পেয়ে দারুণ এক ফ্লিকে জালে পাঠান জুড বেলিংহাম। চ্যাম্পিয়নস লিগে চলতি মৌসুমে এটি ইংলিশ মিডফিল্ডারের প্রথম গোল।
বিরতির আগে আরও একবার গোল পেয়েছিল রিয়াল। কিন্তু অফসাইডের কারণে বেলিংহামের সেই গোল বাতিল হয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও ৭৫ মিনিটে আবার পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। কোইতার পাস ধরে বক্সে ঢুকে নিচু শটে কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন স্টাভরোস পিলিওস। তবে তিন মিনিটের বেশি এগিয়ে থাকতে পারেনি এইকে। ৭৮ মিনিটে জুড বেলিংহামের পাস ধরে ডান দিক দিয়ে উঠে আসেন ডেনজেল ডামফ্রিস। তাঁর বাড়ানো বল কাছ থেকে জালে ঠেলে দিয়ে রিয়ালকে সমতায় ফেরান কিলিয়ান এমবাপ্পে।
এই গোলের মধ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়েন এমবাপ্পে। প্রতিযোগিতাটিতে তাঁর ক্যারিয়ারে এটিই টানা গোলের সর্বোচ্চ ধারাবাহিকতা। পাশাপাশি চ্যাম্পিয়নস লিগে ১০০ গোলে অবদান রাখতেও তাঁর লেগেছে মাত্র ১০২ ম্যাচ। এই মাইলফলকে পৌঁছাতে তাঁর চেয়ে কম ম্যাচ খেলেছেন শুধু লিওনেল মেসি (১০১)। এমবাপ্পের মতো রবার্ট লেভানডফস্কিরও ১০২ ম্যাচে রয়েছে ৭৪ গোল ও ২৬ অ্যাসিস্ট।
শেষ দিকে জয়সূচক গোলের জন্য দুই দলই মরিয়া হয়ে ওঠে। ৮৬ মিনিটে এমবাপ্পের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। মনে হচ্ছিল, পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হবে দুই দলকে। কিন্তু যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সব হিসাব পাল্টে দেন বদলি হিসেবে নামা ফেদে ভালভের্দে। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত এক শটে বল জালে পাঠিয়ে রিয়ালকে এনে দেন ৩–২ গোলের জয়।
এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রাখল রিয়াল মাদ্রিদ। চার ম্যাচে চার জয়ে তাদের পয়েন্ট ১২। পাশাপাশি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়ের স্বাদ পেল মরিনিওর দল। দুইবার এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত হার মানতে হলো সাহসী ফুটবল খেলা এইকে এথেন্সকে।














