সাইম আইয়ুবের ব্যর্থতা ও নাসের হুসেইনের সমালোচনা: ‘টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করেছে পাকিস্তান’
- 1
সাইমকে টেস্টে খেলানোই ‘অসম্মান’, পাকিস্তানকে নিয়ে নাসের হুসেইনের কড়া সমালোচনা
- 2
শৈশবে টেনিস তারকা হওয়ার স্বপ্নই ছিল না, সেই রিবাকিনাই এখন বিশ্বসেরা
- 3
১০০ কোটির সাফল্যের পর মা হচ্ছেন সামান্থা, অসুস্থতা ও অভিনয়ে ফেরার গল্পও জানালেন
- 4
চ্যাম্পিয়নস লিগে ইউনাইটেডের দাপুটে প্রত্যাবর্তন, ৫ গোলের বায়ার্ন ও কোমোর ইতিহাস
- 5
তিন দিনেই ইনিংস হারের শঙ্কায় পাকিস্তান, রবিনসনের তোপে ২ উইকেট নেই

সাইম আইয়ুবের ব্যর্থতা ও নাসের হুসেইনের সমালোচনা: ‘টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করেছে পাকিস্তান’
সাইম আইয়ুবের ব্যর্থতা ও নাসের হুসেইনের সমালোচনা: ‘টেস্ট ক্রিকেটকে অসম্মান করেছে পাকিস্তান’
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) দারুণ ছন্দে ছিলেন সাইম আইয়ুব। জ্যামাইকা কিংসম্যানের হয়ে তিন ম্যাচের একটিতে সেঞ্চুরিও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেখান থেকে হঠাৎ করেই পাকিস্তান টেস্ট দলে ডাক পড়ে তাঁর। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে এজবাস্টন টেস্টে ফিরে দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন এই ওপেনার। সাইমের এমন ব্যর্থতার পর পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসের হুসেইন। তাঁর মতে, এভাবে কোনো খেলোয়াড়কে হুট করে দলে এনে পাকিস্তান মূলত টেস্ট ক্রিকেটকেই অসম্মান করেছে।
লর্ডস টেস্টের পর পাকিস্তান দলে বড় ধরনের রদবদল আনা হয়। সাতজন ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানোর পাশাপাশি দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে বরখাস্ত করা হয়। নতুন করে ডাক পাওয়া সাতজনের মধ্যে পাঁচজনই ছিলেন টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায়। তবে এত পরিবর্তনের পরও এজবাস্টন টেস্টে ইনিংস হারের শঙ্কায় রয়েছে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা পাকিস্তান।
দলের এমন শোচনীয় পরিস্থিতির জন্য টিম ম্যানেজমেন্টকে দায়ী করে স্কাই স্পোর্টসকে নাসের হুসেইন বলেন, "পাকিস্তানের পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ থেকে আরও খারাপ হচ্ছে। সাইম আইয়ুব গত ১১ মাসে প্রথম শ্রেণির কোনো ম্যাচ খেলেনি; অথচ ১০ দিন আগেও সে সিপিএল খেলছিল। ভিন্ন এক কন্ডিশন ও সংস্করণ থেকে উড়িয়ে এনে ডিউক বলের বিপক্ষে তাঁকে নামিয়ে দেওয়াটা টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি একধরনের অবহেলা ও অসম্মান।"
একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডও নাসেরের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। তিনি বলেন, "দিন শেষে খেলোয়াড়দেরই ভুগতে হয়। সাইম দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হয়েছে, সে কি আর সুযোগ পাবে? আমার মনে হয় না। সত্যি বলতে তাঁকে দিয়ে ওপেন করানোই ঠিক হয়নি।"
দলের ভেতরের অস্থিরতা নিয়েও কথা বলেছেন নাসের। মাঝপথে সতীর্থদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, "এমনকি আগের ম্যাচে ৫ উইকেট পাওয়া বোলারকেও বাদ পড়তে হয়েছে। সিরিজের মাঝে যখন ৭ জন খেলোয়াড়কে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়, তখন দলের মৌলিক মূল্যবোধগুলো নষ্ট হয়ে যায়। তখন খেলোয়াড়েরা ভাবতে শুরু করে, দল যখন আমার সতীর্থদের তোয়াক্কা করে না, তখন আমি কেন দলের জন্য খেলব?"
মাঠের পরিসংখ্যানেও পাকিস্তানের দৈন্যদশা স্পষ্ট। নিজেদের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হওয়ার পর ইংল্যান্ড তাদের প্রথম ইনিংসে ৪৫৩ রান তোলে। ২৬৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ৫২ রান। তিন ম্যাচের এই সিরিজের কোনো ইনিংসে এখন পর্যন্ত দলীয় ২০০ রানও করতে পারেনি পাকিস্তান, যার ফলে এজবাস্টন টেস্টেও তাদের বড় পরাজয় সময়ের ব্যাপার বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।














