Image

তিন ভুলের খেসারত ইংল্যান্ডের, ওয়েম্বলিতে স্পেনের রোমাঞ্চকর জয়

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 3 ঘন্টা আগেআপডেট: 2 ঘন্টা আগে
তিন ভুলের খেসারত ইংল্যান্ডের, ওয়েম্বলিতে স্পেনের রোমাঞ্চকর জয়

তিন ভুলের খেসারত ইংল্যান্ডের, ওয়েম্বলিতে স্পেনের রোমাঞ্চকর জয়

তিন ভুলের খেসারত ইংল্যান্ডের, ওয়েম্বলিতে স্পেনের রোমাঞ্চকর জয়

ওয়েম্বলিতে এগিয়ে গিয়েও জয় ধরে রাখতে পারল না ইংল্যান্ড। তিনটি বড় ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন ৩–২ গোলে হারিয়েছে টমাস টুখেলের দলকে। ২০২৪ ইউরো ফাইনালের পর আবারও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পেল স্পেন।

ম্যাচের শুরুতেই মার্ক গেহির ভুলের সুযোগ নিয়ে মাত্র ২ মিনিটে ইংল্যান্ডের জালে বল পাঠান লামিনে ইয়ামাল। পেছনে ওত পেতে থাকা ইয়ামালকে দেখতে পারেননি গেহি। শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও দ্রুত ম্যাচে ফেরে ইংল্যান্ড।

প্রথমার্ধে অবশ্য স্পেনেরও সুযোগ নষ্টের আক্ষেপ ছিল। ১৮ ও ৩২ মিনিটে ফেরান তোরেস দুটি সহজ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। প্রথমবার তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জেমস ট্র্যাফোর্ড। পরের সুযোগটি বাইরে মেরে দেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।

এরপর মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচের চিত্রই বদলে দেয় ইংল্যান্ড। ৩৬ মিনিটে জুড বেলিংহামের পাস থেকে গোল করে সমতা ফেরান অ্যান্থনি গর্ডন। এরপর ৪০ মিনিটে নিকো ও’রাইলির চিপ থেকে হ্যারি কেইনের ডাইভিং হেড স্পেনের জালে জড়ায়। মার্ক কুকুরেয়ার উরুতে লেগে বল জালে গেলেও গোলটি কেইনের নামেই যোগ হয়।

বিরতির পর ২–১ গোলে এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ডের সামনে সুযোগ আসে ব্যবধান বাড়ানোর। ৫৪ মিনিটে স্পেন অধিনায়ক রদ্রি বক্সে বেলিংহামকে ফাউল করলে ভিএআরের পর পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। কিন্তু ৫৫ মিনিটে স্পটকিক নিতে গিয়ে কেইনের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, শট নেওয়ার সময় তাঁর বাঁ পা কিছুটা পিছলে গিয়েছিল।

এর এক মিনিট পরই সমতায় ফেরে স্পেন। নিকো ও’রাইলির ভুল পাস কুড়িয়ে নিয়ে আক্রমণ তৈরি করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। বায়েনার গোলে ২–২ হয় ম্যাচ।

এরপর ৭৪ মিনিটে আবারও বায়েনার সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। ২০২৪ ইউরো ফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করেছিলেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। এবারও তাঁর গোলেই ওয়েম্বলিতে জয় নিশ্চিত করে স্পেন।

ফলে ইংল্যান্ডের ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় হতাশায়। গেহির ভুলে শুরু, ও’রাইলির ভুলে সমতায় ফেরার সুযোগ এবং কেইনের পেনাল্টি মিস—এই তিন মুহূর্তই শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হারের বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এটিই ছিল স্পেনের প্রথম ম্যাচ। পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিয়ে নিজেদের অপরাজিত থাকার ধারাও ৩৯ ম্যাচে নিয়ে গেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three