ফিলিস্তিনে নতুন করে ১০ কোটি ডলারের সহায়তা কানাডার, দুই-রাষ্ট্র সমাধানে জোর
- 1
বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জির মা কৃষ্ণা মুখার্জি আর নেই
- 2
মেসির শেষ ম্যাচের জার্সি প্রকাশ, বিদায়ের আগে আবেগঘন বার্তা
- 3
ঢাকায় তিন কনসার্ট ঘিরে অনিশ্চয়তা: মিলেনি চূড়ান্ত অনুমতি, সংকটে আয়োজকেরা
- 4
‘সবাই নারীর গর্ভ থেকেই এসেছে’, বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে সালমানের বক্তব্যের প্রশংসায় রিচা
- 5
তেবাসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ রিয়াল, লা লিগা সভাপতি বদলের দাবি

ফিলিস্তিনে নতুন করে ১০ কোটি ডলারের সহায়তা কানাডার, দুই-রাষ্ট্র সমাধানে জোর
ফিলিস্তিনে নতুন করে ১০ কোটি ডলারের সহায়তা কানাডার, দুই-রাষ্ট্র সমাধানে জোর
ফিলিস্তিনের বেসামরিক নাগরিকদের জন্য নতুন করে ১০ কোটি কানাডিয়ান ডলারের সহায়তা ঘোষণা করেছে কানাডা। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে এই ঘোষণা দেন। কানাডা সরকারের তথ্য অনুযায়ী, নতুন অর্থের মধ্যে ৮ কোটি ডলার মানবিক সহায়তা এবং ২ কোটি ডলার শান্তি ও স্থিতিশীলতা কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।
কার্নি বলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিরা ভয়াবহ মানবিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন। একই সঙ্গে হামাস, ইরান ও তাদের মিত্রদের কাছ থেকে ইসরায়েলও নিরাপত্তাজনিত হুমকির মুখে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য মানবিক সহায়তার পাশাপাশি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য দুই-রাষ্ট্র সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মানবিক সহায়তায় ৮ কোটি ডলার
কানাডার নতুন তহবিলের সবচেয়ে বড় অংশ, ৮ কোটি ডলার, গাজা ও পশ্চিম তীরে মানবিক সহায়তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ জরুরি মানবিক প্রয়োজন মোকাবিলায় ব্যবহারের কথা জানিয়েছে কানাডা সরকার।
বাকি ২ কোটি ডলার শান্তি ও স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগে ব্যয় হবে। এর মধ্যে পশ্চিম তীরে স্থানীয় পুলিশ প্রশিক্ষণের একটি বহুবর্ষী কর্মসূচিতে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়ার বিষয়ও রয়েছে।
২০২৩ সালের পর সহায়তা ছাড়াল ৬০ কোটি ডলার
নতুন অর্থ ঘোষণার ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের জন্য কানাডার মোট সহায়তার পরিমাণ ৬০ কোটি কানাডিয়ান ডলারের বেশি হয়েছে। এর আগে জুনেও কানাডা গাজা ও পশ্চিম তীরে মানবিক সহায়তার জন্য ১০ কোটি ডলার ঘোষণা করেছিল।
বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও কানাডার অবস্থান
ফিলিস্তিনের জন্য নতুন সহায়তার পাশাপাশি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়েও অবস্থান জানিয়েছে কানাডা। সেপ্টেম্বরের শুরুতে কানাডা, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলি বসতি থেকে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্যে বিধিনিষেধের উদ্যোগের কথা জানায়।
কানাডা বলেছে, পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ ও বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা দুই-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। দেশটি একই সঙ্গে ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থের স্বীকৃতি এবং ৭ অক্টোবরের হামলার নিন্দার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছে।
দুই-রাষ্ট্র সমাধানই মূল লক্ষ্য
কার্নির নতুন সহায়তা ঘোষণার সঙ্গে কানাডার দুই-রাষ্ট্র সমাধানকে এগিয়ে নেওয়ার নীতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। কানাডা বলছে, একটি স্বাধীন ও কার্যকর ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র এবং নিরাপদ ইসরায়েল পাশাপাশি অবস্থান করতে পারে—এমন রাজনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা ধরে রাখাই তাদের লক্ষ্য।














