জাতিসংঘে ট্রাম্পের কড়া মন্তব্য, কিউবার প্রতিনিধিদলের ওয়াকআউট
- 1
মাদ্রিদ ডার্বির পর বড় ধাক্কা, চোটে কয়েক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে ভালভের্দে
- 2
ভুয়া কোভিড সনদ নেওয়ার স্বীকারোক্তি, সুইজারল্যান্ডের দলে নেই জাকা
- 3
‘ছোলা বিক্রি করতে এসেছিলে?’ বাবরের নেতৃত্ব নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন আকরামের
- 4
জিদান ফ্রান্সের কোচ, এমবাপ্পের কাছে যেন সিনেমার গল্প
- 5
মেসির শেষ ম্যাচের জার্সি প্রকাশ, বিদায়ের আগে আবেগঘন বার্তা

জাতিসংঘে ট্রাম্পের কড়া মন্তব্য, কিউবার প্রতিনিধিদলের ওয়াকআউট
জাতিসংঘে ট্রাম্পের কড়া মন্তব্য, কিউবার প্রতিনিধিদলের ওয়াকআউট
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে কিউবার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি দাবি করেছেন, দেশটির কমিউনিস্ট সরকার বর্তমানে নজিরবিহীন চাপের মুখে রয়েছে এবং এর পতন ঘটতে পারে। ট্রাম্পের এসব মন্তব্যের সময় জাতিসংঘের অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায় কিউবার প্রতিনিধিদল।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাষণে কিউবাকে নিয়ে বক্তব্য দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তাঁর প্রশাসন কিউবার পরিস্থিতিতে ‘মৌলিক পরিবর্তন’ আনার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, দেশটির কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় চাপের মুখে পড়েছে।
ট্রাম্প বলেন, কিউবার বর্তমান পরিস্থিতি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রের’ বৈশিষ্ট্য বহন করছে এবং তাঁর ভাষায়, এই শাসনব্যবস্থা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সংকটের মধ্যে রয়েছে।
‘কিউবায় স্বাধীনতা আসবে’
ভাষণে কিউবার ভবিষ্যৎ নিয়েও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার কোনো সুযোগ নেই, কিন্তু কিউবায় স্বাধীনতা আসবে।
তবে কিউবার ক্ষেত্রে ‘মৌলিক পরিবর্তন’ বলতে তাঁর প্রশাসন ঠিক কী ধরনের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিবর্তন চায়, সে বিষয়ে ভাষণে বিস্তারিত কোনো পরিকল্পনা তুলে ধরেননি ট্রাম্প। এর আগে কিউবা নিয়ে তাঁর প্রশাসনের অবস্থান থেকে দেশটির ওপর মার্কিন চাপ বাড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও ভবিষ্যৎ কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট রূপরেখা প্রকাশ করা হয়নি।
ট্রাম্পের বক্তব্যে কিউবার প্রতিনিধিদলের ওয়াকআউট
ট্রাম্প যখন কিউবার সরকার ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনা শুরু করেন, তখন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কক্ষ থেকে কিউবার প্রতিনিধিদল বেরিয়ে যায়। পরে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ ট্রাম্পের বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিউবার সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান জানান।
কিউবা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিরোধের প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘে ট্রাম্পের এই বক্তব্য নতুন করে দুই দেশের সম্পর্কের উত্তেজনাকে সামনে নিয়ে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কিউবা নীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
কিউবা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?
ট্রাম্পের বক্তব্যে কিউবায় পরিবর্তনের কথা স্পষ্টভাবে উঠে এলেও সেই পরিবর্তনের ধরন বা সময়সীমা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি। একই সঙ্গে কিউবার বর্তমান সরকার ভবিষ্যতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, সেটিও এখনো অনিশ্চিত।
জাতিসংঘে ট্রাম্পের মন্তব্য এবং কিউবার প্রতিনিধিদলের ওয়াকআউট তাই দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধকে আবারও আন্তর্জাতিক কূটনীতির আলোচনায় নিয়ে এসেছে।















