Image

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে রেসিংকে ৭-২ গোলে উড়িয়ে বার্সেলোনার ছয় ম্যাচে ছয় জয়

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 1 দিন আগেআপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে রেসিংকে ৭-২ গোলে উড়িয়ে বার্সেলোনার ছয় ম্যাচে ছয় জয়

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে রেসিংকে ৭-২ গোলে উড়িয়ে বার্সেলোনার ছয় ম্যাচে ছয় জয়

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে রেসিংকে ৭-২ গোলে উড়িয়ে বার্সেলোনার ছয় ম্যাচে ছয় জয়

বার্সেলোনার গোলোৎসব যেন থামছেই না। প্রতিপক্ষ রেসিং সানতান্ডারকে ৭-২ গোলে উড়িয়ে লা লিগায় টানা ষষ্ঠ জয় তুলে নিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের রাতে হ্যাটট্রিক করেছেন রাফিনিয়া। একটি করে গোল পেয়েছেন জোয়াও কানসেলো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও লামিনে ইয়ামাল। অন্য গোলটি এসেছে আত্মঘাতী থেকে।

এই জয়ে ছয় ম্যাচে পূর্ণ ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বার্সেলোনা। একই সঙ্গে এবারের মৌসুমে গোলের বন্যা বইয়ে দেওয়ার ধারও অব্যাহত রেখেছে তারা।

কানসেলোর দুর্দান্ত গোলে শুরু

ন্যু ক্যাম্পে বৃষ্টিভেজা রাতে ম্যাচের শুরু থেকেই রেসিংয়ের ওপর চাপ তৈরি করে বার্সেলোনা। অষ্টম মিনিটেই গোলের খাতা খোলেন জোয়াও কানসেলো।

বক্সের বাইরে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে তাঁর নেওয়া বাঁকানো শট এতটাই গতিময় ছিল যে রেসিং গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না। দুর্দান্ত সেই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা।

২৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাফিনিয়া। বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হয়ে পাওয়া পেনাল্টি থেকে নিজেই স্পটকিক নেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এবং ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান।

রেসিং এক গোল শোধ করেও টিকতে পারেনি

৩০ মিনিটে রেসিংয়ের হয়ে একটি গোল শোধ করেন ম্যাগুয়েত্তি গুয়ে। দারুণ এক দলীয় আক্রমণ শেষ করে গোলটি করেন রেসিং অধিনায়ক।

তবে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই আবারও ব্যবধান বাড়ায় বার্সেলোনা। ৩৬ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে কানসেলোর নেওয়া শক্তিশালী শট প্রতিপক্ষের অ্যাসিয়ার ভিল্লালিবেরের গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়। গোলটি আত্মঘাতী হিসেবে লেখা হলেও আক্রমণটির বড় কৃতিত্ব ছিল কানসেলোর।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও একবার গোলের দেখা পান রাফিনিয়া। ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি।

বিরতির আগে আরও একটি গোল করার সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। করিম আদেমেয়ি বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। এবার স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন লামিনে ইয়ামাল। তবে তাঁর শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন রেসিং গোলরক্ষক হুলেন আজিরেজাবালা।

বিরতির পরও থামেনি গোলের ধারা

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে রেসিং। তবে গোলটির পেছনে ছিল বার্সেলোনা গোলরক্ষক ভয়চেক সেজনির ভুল।

সতীর্থের কাছ থেকে পাওয়া বল নিয়ন্ত্রণ করার পর জাবিরিকে পাশ কাটাতে গিয়ে বিপদে পড়ে যান সেজনি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রেসিংয়ের বদলি ফরোয়ার্ড ইয়াসির জাবিরি বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ৪-২ করেন।

কিন্তু দুই মিনিট পরই রেসিংয়ের সেই আশা শেষ করে দেন রাফিনিয়া। আদেমেয়ি আবারও বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা। স্পটকিক থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন রাফিনিয়া। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১১।

শেষদিকে জেসুস ও লামিনের গোল

এরপর বদলি হিসেবে মাঠে নামা গ্যাব্রিয়েল জেসুসও গোলের দেখা পান। ৭৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের বাঁকানো শটে বল জালে পাঠান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোলের খাতা খোলেন লামিনে ইয়ামাল। করিম আদেমেয়ির অ্যাসিস্ট থেকে গোল করে পেনাল্টি মিসের হতাশা মুছে দেন স্পেনের তরুণ তারকা।

শেষ পর্যন্ত ৭-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

বার্সেলোনার গোলবন্যা অব্যাহত

এবারের মৌসুমে বার্সেলোনার সবচেয়ে আলোচিত দিকগুলোর একটি তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবল। লা লিগায় ছয় ম্যাচের চারটিতেই অন্তত পাঁচটি করে গোল করেছে তারা। চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচটিও হিসাব করলে পাঁচটি ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে পাঁচ বা তার বেশি গোল করেছে কাতালানরা।

রেসিং সানতান্ডারের বিপক্ষে ৭ গোলই এখন পর্যন্ত এবারের লা লিগায় এক ম্যাচে বার্সেলোনার সর্বোচ্চ গোল। হ্যাটট্রিকসহ রাফিনিয়ার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সেই গোলবন্যায় আরও একটি স্মরণীয় রাত যোগ হলো।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three