Image

সিপিএল শেষ মিরাজের হতাশায়, ফাইনালে জ্যামাইকা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 1 ঘন্টা আগেআপডেট: 12 মিনিট আগে
সিপিএল শেষ মিরাজের হতাশায়, ফাইনালে জ্যামাইকা

সিপিএল শেষ মিরাজের হতাশায়, ফাইনালে জ্যামাইকা

সিপিএল শেষ মিরাজের হতাশায়, ফাইনালে জ্যামাইকা

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) মেহেদী হাসান মিরাজের দল গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের পথচলা থেমে গেছে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেই। ব্রিজটাউনে জ্যামাইকা কিংসম্যানের বিপক্ষে ২০৬ রান তুলেও ৫ উইকেটে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে গায়ানা। দারুণ জয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে জ্যামাইকা।

মিরাজের জন্যও ম্যাচটি ছিল হতাশার। বল হাতে ৪ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগও হয়নি তাঁর।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মিরাজকে আক্রমণে আনেন গায়ানার অধিনায়ক। দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মাজ সাদাকাত ও ক্রিক ম্যাকেঞ্জিকে দ্রুত ফেরানোর লক্ষ্য ছিল তাঁর। কিন্তু শুরুটাই হয় উল্টোভাবে। মিরাজের প্রথম ওভারে সাদাকাত দুটি ছক্কা ও একটি চার মেরে তুলে নেন ১৮ রান।

পাওয়ারপ্লে শেষে সপ্তম ওভারে আবার বোলিংয়ে ফেরেন মিরাজ। সেই ওভারে দেন ৮ রান। পরের দুই ওভারে বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও শেষ ওভারের শেষ দুই বলে পাকিস্তানের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সাইম আইয়ুব দুটি ছক্কা মারেন। ফলে ৪ ওভারের স্পেলে মিরাজের খরচ দাঁড়ায় ৪৩ রান, উইকেটশূন্যই থাকতে হয় তাঁকে।

গায়ানার ২০৬ রানের মূল কারিগর ছিলেন শিমরন হেটমায়ার। মাত্র ৪৫ বলে ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। এবারের সিপিএলে এটি হেটমায়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

জবাবে দলীয় ব্যাটিংয়ে ম্যাচটি নিজেদের করে নেয় জ্যামাইকা। সাদাকাতের ৪১, ম্যাকেঞ্জির ৩৪ ও কিচি কার্টির ৫৬ রানের পর শেষদিকে ঝড় তোলেন রোভম্যান পাওয়েল। মাত্র ১৭ বলে ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলকে জয়ের কাছে নিয়ে যান তিনি। ২ বল হাতে রেখেই ৫ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে জ্যামাইকা।

এবারই প্রথম সিপিএলে খেলেছেন মিরাজ। মোহাম্মদ নবীর বদলি হিসেবে গায়ানার হয়ে পাঁচ ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়ে মোট ৯ উইকেট নিয়েছেন তিনি। তাঁর সবকটি উইকেটই এসেছিল টুর্নামেন্টের প্রথম তিন ম্যাচে। প্লে-অফে অবশ্য আর উইকেট পাননি।

ব্যাট হাতেও সময়টা ভালো কাটেনি মিরাজের। চার ইনিংসে মাত্র ২১ রান করেছেন তিনি। তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ৪৮.৮৩। ফলে সিপিএলের অভিষেক আসরটি মিরাজ শেষ করলেন বল হাতে প্রথম দিকে সাফল্য পেলেও শেষদিকে হতাশা নিয়ে।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three