দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী ডি ভিলিয়ার্স, দিলেন ব্যাটিংয়ের পরামর্শ
- 1
এলচেকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে লা লিগায় বার্সেলোনার দুর্দান্ত শুরু
- 2
ম্যানচেস্টার সিটির মাঝমাঠে মরক্কোর ১৮ বছরের ‘বিস্ময় বালক’ বুয়াদ্দি
- 3
হারের মুখ থেকে ম্যানচেস্টার সিটির নাটকীয় জয়, ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারাল ২-১ গোলে
- 4
ইরাকের কোচ হিসেবে থাকছেন গ্রাহাম আর্নল্ড, এশিয়ান কাপ পর্যন্ত চুক্তি বাড়ল
- 5
বার্সেলোনার টার্গেট আলভারেসকে নিজেদের মাঠেই দুয়ো আতলেতিকো সমর্থকদের

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী ডি ভিলিয়ার্স, দিলেন ব্যাটিংয়ের পরামর্শ
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদী ডি ভিলিয়ার্স, দিলেন ব্যাটিংয়ের পরামর্শ
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ ড্র করার পর এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী নভেম্বরে দুই টেস্ট, তিন ওয়ানডে ও তিন টি-টোয়েন্টির পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। কঠিন কন্ডিশনের এই সফরে বাংলাদেশ কেমন করবে, তা নিয়ে এরই মধ্যে নিজের মত জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স। তাঁর বিশ্বাস, ভালো প্রস্তুতি নিয়ে গেলে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়া সফরের পারফরম্যান্সই ডি ভিলিয়ার্সের আশাবাদের বড় কারণ। ডারউইনে প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে মাত্র দুই দিনে ইনিংস ব্যবধানে হারলেও ১–১ ব্যবধানে সিরিজ ড্র করে দেশে ফেরার সুযোগ তৈরি করেছে দলটি।
ডারউইনে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের পর নিজের ইউটিউব চ্যানেল ‘৩৬০’-এ দেওয়া এক ভিডিওতে ডি ভিলিয়ার্স বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ কঠিন লড়াই করতে পারে। তবে সেখানকার কন্ডিশন ব্যাটসম্যানদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
তাঁর ভাষায়, দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটে বল শুধু সুইংই করে না, সিম মুভমেন্টও থাকে। পিচে পড়ার পরও বল নড়াচড়া করে। তাই এমন কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে ব্যাটসম্যানদের সক্রিয় থাকতে হবে।
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য কিছু কৌশলও জানিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। তাঁর মতে, পরিস্থিতি বুঝে কখনো ক্রিজ থেকে বেরিয়ে আসা, কখনো স্টাম্প ঢেকে দাঁড়ানো কিংবা স্টাম্প থেকে কিছুটা দূরে সরে ব্যাট করা যেতে পারে। মূল বিষয় হলো, একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে সারাক্ষণ বোলারের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলা যাবে না।
ডি ভিলিয়ার্সের পরামর্শ, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের পুরো ব্যাটিং কৌশল বদলে ফেলার প্রয়োজন নেই। বরং পরিস্থিতি অনুযায়ী ছোটখাটো পরিবর্তন এনে বোলারকে চাপে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলারও দরকার নেই।
বাংলাদেশকে শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার সফরের আগে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং সিমিং ও বাউন্সি কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
এদিকে এক দর্শক ডি ভিলিয়ার্সকে বাংলাদেশে এসে ব্যাটিং কোচ হওয়ার অনুরোধ করলে সেটি আপাতত নাকচ করেছেন তিনি। তবে ভবিষ্যতে স্বল্পমেয়াদি পরামর্শক হিসেবে কাজ করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। তিন সন্তান ও পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে এখন পূর্ণকালীনভাবে কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মতো অবস্থায় নেই বলেও জানান তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশের অতীত রেকর্ড অবশ্য খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। সেখানে এখন পর্যন্ত ৮টি টেস্ট খেলে সবগুলোতেই হেরেছে বাংলাদেশ। ১২ ওয়ানডেতে জয় এসেছে মাত্র দুটিতে, আর চারটি টি-টোয়েন্টির সবকটিতেই হারতে হয়েছে।
আগামী ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে শুরু হবে টেস্ট সিরিজ। এরপর ১ ডিসেম্বর শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ এবং ১০ ডিসেম্বর মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এবার অস্ট্রেলিয়ার সাফল্যের আত্মবিশ্বাস সঙ্গে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ইতিহাস বদলানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের।















