হালান্ডের বিতর্কিত গোলের আলোচনা নিয়ে বিরক্ত মারেস্কা, ‘সিটির পারফরম্যান্সও দেখা উচিত’
- 1
মেসির হেডে গোল, কাসেমিরোর জাদুতে ক্রুজ আজুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মায়ামি
- 2
রোহিত শর্মাকে নিয়ে সোফিয়া হায়াতের বিতর্কিত মন্তব্য, যা বললেন ভারতীয় তারকা
- 3
রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে রেসিংকে ৭-২ গোলে উড়িয়ে বার্সেলোনার ছয় ম্যাচে ছয় জয়
- 4
রোনালদো-প্যালাসিওসের ঝামেলার নতুন পর্ব, এবার ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত আল নাসর
- 5
শেষ মুহূর্তের ‘মার’ এস্পির, রিয়ালকে জেতালেন ৯০+১ মিনিটে

হালান্ডের বিতর্কিত গোলের আলোচনা নিয়ে বিরক্ত মারেস্কা, ‘সিটির পারফরম্যান্সও দেখা উচিত’
হালান্ডের বিতর্কিত গোলের আলোচনা নিয়ে বিরক্ত মারেস্কা, ‘সিটির পারফরম্যান্সও দেখা উচিত’
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ১০ জনের দল নিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারানোর পরও জয়ের চেয়ে বিতর্কিত গোলের আলোচনা বেশি হওয়ায় বিরক্ত ম্যানচেস্টার সিটি কোচ এনজো মারেস্কা। তাঁর মতে, হালান্ডের গোল নিয়ে বিতর্কের আড়ালে ম্যাচে সিটির অসাধারণ লড়াই ও পারফরম্যান্সটাই চাপা পড়ে যাচ্ছে।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে ২৩তম মিনিটেই বড় ধাক্কা খায় সিটি। ব্রুনো ফের্নান্দেসকে লাথি মারার ঘটনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ফিল ফোডেন। ফলে ম্যাচের প্রায় ৭০ মিনিট একজন কম নিয়ে খেলতে হয় সিটিকে। তবু শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
ম্যাচের ৬০তম মিনিটে সিটির হয়ে গোল করেন আর্লিং হালান্ড। ইয়োশকো ভার্দিওলের ক্রস ইউনাইটেডের প্যাট্রিক ডর্গুর বুটে লেগে দিক পরিবর্তন করলে দূরের পোস্টে থাকা হালান্ড তা জালে পাঠান। শুরুতে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেছিলেন সহকারী রেফারি। পরে VAR পর্যালোচনায় হালান্ডকে অনসাইড ঘোষণা করে গোলটি দেওয়া হয়।
তবে বিতর্ক তৈরি হয় সিটির আরেক খেলোয়াড় এনজো ফের্নান্দেসকে ঘিরে। তিনি অফসাইড অবস্থানে থেকে বলের দিকে হেড করার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও বল তাঁর মাথায় লাগেনি, তাঁর অবস্থান ও মুভমেন্ট ডিফেন্ডারদের খেলায় প্রভাব ফেলেছিল কি না—সেটিই হয়ে ওঠে মূল প্রশ্ন।
পরে প্রিমিয়ার লিগের রেফারিং সংস্থা প্রো রেফ স্বীকার করে, গোলটি দেওয়ার সিদ্ধান্তে ভুল হয়েছিল। তাদের মতে, হালান্ড অনসাইড থাকলেও এনজো ফের্নান্দেসের অবস্থান ও সম্ভাব্য প্রভাব VAR যথাযথভাবে বিবেচনা করেনি। পরিস্থিতিতে অন-ফিল্ড রিভিউয়ের সুপারিশ করা উচিত ছিল।
তবে এসব নিয়ে অতিরিক্ত আলোচনা হওয়াটাই বিরক্ত করছে মারেস্কাকে। তাঁর মতে, সেদিনের ম্যাচে ১০ জন নিয়ে দীর্ঘ সময় খেলার পরও সিটির যে পারফরম্যান্স, সেটি যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না।
“আমার দৃষ্টিতে সেদিন সিটির পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। দলের খেলায় আমি খুবই সন্তুষ্ট। কিন্তু ম্যাচের একটি ঘটনা নিয়ে এত বেশি আলোচনা হচ্ছে যে, আমরা ৭০ থেকে ৭৫ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলেছি—এই বিষয়টিই যেন আড়ালে চলে যাচ্ছে।”
মারেস্কার মতে, রেফারিংয়ে ভুল হওয়া ফুটবলেরই অংশ। তাঁর বক্তব্য, কখনো সিদ্ধান্ত একটি দলের পক্ষে যায়, আবার কখনো বিপক্ষে।
“ম্যাচে একটি ভুল হয়েছিল এবং সেটি স্বীকারও করা হয়েছে। এটাই গুরুত্বপূর্ণ। কখনো এমন সিদ্ধান্ত আপনার পক্ষে যাবে, কখনো আপনার বিপক্ষে। এটাই ফুটবল।”
ম্যানচেস্টার ডার্বির এই জয় সিটির মৌসুমের শুরুটাকেও শক্তিশালী করেছে। চার ম্যাচে চার জয় নিয়ে ১২ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে তারা। গোল ব্যবধানে এগিয়ে সমান ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে আর্সেনাল।
এদিকে ডার্বির বিতর্ক পেছনে ফেলে সিটি এখন পরবর্তী ম্যাচগুলোর দিকে তাকাচ্ছে। মারেস্কার লক্ষ্য, মাঠের পারফরম্যান্স ও লিগে ধারাবাহিকতাকেই আলোচনার কেন্দ্রে রাখা।











