২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও নাপোলিকে ৩-২ গোলে হারাল ইন্টার
- 1
ইমরান খানের চিকিৎসা নিয়ে লারার উদ্বেগ, ‘প্রাপ্য মর্যাদা নিশ্চিত করুন’
- 2
বিশ্বকাপের হারের প্রতিশোধের সুযোগ জাপানের, নভেম্বরে ব্রাজিলের মুখোমুখি
- 3
৮ দিনের ব্যবধানে দুই হ্যাটট্রিক, কিংবদন্তিদেরও ছাড়িয়ে ইতিহাসে ক্রোকোম্বে
- 4
গেইল-রাসেলদের পেছনে ফেলে সিপিএলের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড শানাকার
- 5
এক ক্রিকেটারের জন্মসাল তিনটি! বয়স জালিয়াতিতে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা

২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও নাপোলিকে ৩-২ গোলে হারাল ইন্টার
২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও নাপোলিকে ৩-২ গোলে হারাল ইন্টার
সান সিরোতে যেন অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল ইন্টার মিলান। দুই গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত নাপোলিকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে তারা। নাটকীয় এই জয়ে জোড়া গোল করে ইন্টারের নায়ক আর্জেন্টাইন তারকা লাউতারো মার্তিনেজ।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় গোলের বন্যা। ৫০তম মিনিটে মাত্তেও পলিতানোর গোলে এগিয়ে যায় নাপোলি। মাত্র তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাসমুস হয়লুন। ফলে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে কঠিন চাপে পড়ে যায় স্বাগতিক ইন্টার।
তবে হাল ছাড়েনি শিরোপাধারীরা। ৫৬তম মিনিটে ইন্টারের হয়ে একটি গোল শোধ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। ম্যাচে ফিরলেও সমতায় ফেরার জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল আরও একটি গোল।
অবশেষে ৮২তম মিনিটে সেই গোলটি আসে। দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠিয়ে ইন্টারকে সমতায় ফেরান মার্কাস থুরাম। ২-২ সমতায় ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যায়। মনে হচ্ছিল, পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই হয়তো মাঠ ছাড়বে দুই দল।
কিন্তু নাটক তখনো বাকি।
নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ইন্টারের একটি কর্নার থেকে বল নাপোলির ডি-বক্সের বাইরে চলে আসে। নিকোলো বারেল্লার পা ঘুরে কার্টিস জোন্স বল বাড়িয়ে দেন বক্সে। সেখানে মার্কাস থুরাম হেড করতে না পারলেও নাপোলির রক্ষণ বল পুরোপুরি ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হয়। মানুয়েল আকাঞ্জির পায়ের টোকায় বল পেয়ে যান মার্তিনেজ। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে দূরের পোস্টে বল পাঠিয়ে দেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
৯১তম মিনিটের সেই গোলেই ৩-২ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য জয় নিশ্চিত করে ইন্টার। সান সিরো তখন রূপ নেয় উৎসবের মঞ্চে।
এই জয়ে তিন ম্যাচে তিন জয় নিয়ে ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করে লিগের শীর্ষে উঠেছে ইন্টার। অন্যদিকে তিন ম্যাচের দুটিতে হেরে নাপোলির সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট, অবস্থান ১৩ নম্বরে।
দুই গোল হজম করার পরও শেষ পর্যন্ত তিন গোল করে জয়—ইন্টারের জন্য এটি শুধু তিন পয়েন্টের জয় নয়, বরং শিরোপা ধরে রাখার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেওয়ার মতো এক দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন।














