চ্যাম্পিয়নস লিগে নতুন নিয়মের হাওয়া, সময়ক্ষেপণ ও ভিএআরে বড় পরিবর্তন
- 1
ইয়ামালের জোড়া গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
- 2
ইন্টারের বিপক্ষে ম্যাচের আগে স্বস্তি, চুয়ামেনিসহ রিয়ালের তিন খেলোয়াড় ফিরলেন
- 3
রিয়ালের রেকর্ড ছোঁয়ার হাতছানি পিএসজির, নতুন মৌসুমে আজ রিয়াল-ইন্টার
- 4
আবারও বিশ্বের সবচেয়ে দামি ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ, সেরা দশে বড় চমক আর্সেনাল
- 5
লাবুশেনকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, টেস্ট দলে চমক কনোলি

চ্যাম্পিয়নস লিগে নতুন নিয়মের হাওয়া, সময়ক্ষেপণ ও ভিএআরে বড় পরিবর্তন
চ্যাম্পিয়নস লিগে নতুন নিয়মের হাওয়া, সময়ক্ষেপণ ও ভিএআরে বড় পরিবর্তন
ইউরোপের সেরা ক্লাব ফুটবলের নতুন মৌসুম শুরু হচ্ছে আজ। চ্যাম্পিয়নস লিগের এবারের আসরে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি নজর থাকবে নতুন কিছু নিয়মেও। সময়ক্ষেপণ কমানো, বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবহারের ক্ষেত্র বাড়ানোর মতো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে উয়েফা।
নতুন মৌসুমে অহেতুক সময় নষ্ট করার ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে থাকবে চ্যাম্পিয়নস লিগ কর্তৃপক্ষ। ইউরোপের বিভিন্ন শীর্ষ ঘরোয়া লিগ এবং সর্বশেষ বিশ্বকাপে পরীক্ষিত কয়েকটি নিয়ম এবার প্রথমবারের মতো ইউরোপ–সেরার এই প্রতিযোগিতায় কার্যকর হচ্ছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি বদলি খেলোয়াড়কে ঘিরে। মাঠ থেকে বদলি হওয়া ফুটবলারকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে মাঠ ছাড়তে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মাঠ ছাড়তে ব্যর্থ হলে বদলি খেলোয়াড় সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নামতে পারবেন না। খেলা আবার শুরু হওয়ার পর অন্তত এক মিনিট অপেক্ষা করেই তাঁকে মাঠে প্রবেশ করতে হবে।
থ্রো-ইন ও গোলকিকেও দ্রুত খেলা শুরু করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রেফারি প্রয়োজনে পাঁচ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন দিতে পারবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে থ্রো-ইন নিতে না পারলে বলের দখল যাবে প্রতিপক্ষের কাছে। গোলকিকের ক্ষেত্রে সময়সীমা অতিক্রম করলে প্রতিপক্ষ পাবে কর্নার কিক।
চোটের ক্ষেত্রেও এসেছে নতুন নিয়ম। কোনো খেলোয়াড় মাঠে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ফিজিওর সহায়তা নিলে তাঁকে অন্তত এক মিনিট মাঠের বাইরে থাকতে হবে। তবে গোলকিপারদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। এছাড়া ফাউলের ঘটনায় প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় হলুদ বা লাল কার্ড দেখলে চোট পাওয়া ফুটবলারকে মাঠের বাইরে অপেক্ষা করতে হবে না।
এবার ভিএআরের কার্যক্ষেত্রও বাড়ানো হয়েছে। কোনো ঘটনায় রেফারি ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দিলে ভিএআর সেটি সংশোধনের সুযোগ পাবে। তবে অপরাধটি নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে না। একইভাবে ভুলবশত কোনো ফুটবলারকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেওয়া হলে ভিএআর রেফারিকে পিচসাইড মনিটরে গিয়ে ঘটনাটি পুনরায় দেখার পরামর্শ দিতে পারবে।
কর্নার বা ফ্রি-কিক নেওয়ার মুহূর্তে আক্রমণকারী দলের ফাউল এবং গোলকিক থেকে সম্ভাব্য হ্যান্ডবল–সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূর করতেও ভূমিকা রাখবে ভিএআর।
মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রেও রয়েছে নতুন নির্দেশনা। ফিফার নিয়মে এমন আচরণের জন্য সরাসরি লাল কার্ডের বিধান থাকলেও উয়েফা সেই পথ অনুসরণ করছে না। অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের উদ্দেশ্যে কোনো খেলোয়াড় হাত বা জার্সি দিয়ে মুখ ঢাকলে তাঁকে হলুদ কার্ড দেখানো যেতে পারে। প্রয়োজনে ম্যাচ শেষে তদন্তের ভিত্তিতেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হলুদ কার্ডের নিয়মেও ফুটবলারদের জন্য কিছুটা স্বস্তি এসেছে। আগে গ্রুপ পর্বে তিনটি হলুদ কার্ড পেলেই এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতো। নতুন নিয়মে চারটি হলুদ কার্ড পাওয়ার পর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আসবে। কোয়ার্টার ফাইনাল শেষ হওয়ার পর সব হলুদ কার্ডের হিসাব মুছে যাবে।
ফলে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে সরাসরি লাল কার্ড না দেখলে ফাইনাল মিস করার ঝুঁকি থাকবে না। নতুন এসব নিয়মে ম্যাচের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি সময়ক্ষেপণ কমিয়ে আরও স্বচ্ছ ও গতিময় ফুটবল উপহার দেওয়ার লক্ষ্য উয়েফার।












