এমবাপ্পে-ভালভার্দের গোলে ইন্টারকে হারিয়ে জয় দিয়ে রিয়ালের চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু
- 1
১৯৮০–৮৩ সালের early-1980s fashion, photography ও vintage aesthetic ধরতে নিচের ৫টি বাংলা প্রম্পট ব্যবহার করতে পারেন।
- 2
হলান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির দুর্দান্ত শুরু
- 3
চ্যাম্পিয়নস লিগে নতুন নিয়মের হাওয়া, সময়ক্ষেপণ ও ভিএআরে বড় পরিবর্তন
- 4
ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন ওয়াসিম আকরাম, ‘সুচিকিৎসায় কোনো আপস নয়’
- 5
ব্যালন ডি’অর জিতবেন পিএসজির কেউ, দেম্বেলের পছন্দের শীর্ষ তিনে এমবাপ্পে

এমবাপ্পে-ভালভার্দের গোলে ইন্টারকে হারিয়ে জয় দিয়ে রিয়ালের চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু
এমবাপ্পে-ভালভার্দের গোলে ইন্টারকে হারিয়ে জয় দিয়ে রিয়ালের চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু
রিয়াল মাদ্রিদ ২–১ ইন্টার মিলান
চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ইন্টার মিলানকে ২–১ গোলে হারিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। রিয়ালের হয়ে গোল করেছেন ফেদেরিকো ভালভার্দে ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। ইন্টারের একমাত্র গোলটি করেছেন কার্লোস অগুস্তো।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য রিয়ালের জন্য স্বস্তির কোনো বার্তা ছিল না। প্রথম ২০ মিনিটে বরং বার্নাব্যুতে আধিপত্য দেখিয়েছে ইন্টার। তৃতীয় মিনিটেই মার্কোস থুরামের হাফ-ভলি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন থিবো কোর্তোয়া। এরপর হাকান চালহানোলুর ফ্রি-কিকও রুখে দেন রিয়ালের বেলজিয়ান গোলরক্ষক।
তবে এরপরই ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ইন্টারের রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় রিয়াল। বেনজামিন পাভারের ব্যাকপাস পেয়ে বল নিয়ন্ত্রণে অযথা সময় নেন গোলরক্ষক জোসেপ মার্তিনেজ। সুযোগ বুঝে ছুটে এসে বল কেড়ে নেন ফেদেরিকো ভালভার্দে, এরপর সেটি পাঠিয়ে দেন জালে।
রিয়াল তখন পর্যন্ত লক্ষ্যে শট নিয়েছিল মাত্র একবার। কিন্তু সেই এক শটেই এগিয়ে যায় তারা।
এরপর ১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এমবাপ্পে। ইয়ান বিসেকের নিয়ন্ত্রণ হারানো বল পেয়ে ব্রাহিম দিয়াজ দ্রুত সেটি তুলে দেন এমবাপ্পের সামনে। ফরাসি তারকা ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে রিয়ালকে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
এই গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের হয়ে আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করেন এমবাপ্পে। ইউরোপের ক্লাব প্রতিযোগিতায় তাঁর গোলসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭১-এ, যেখানে তিনি স্পর্শ করেন রিয়ালের কিংবদন্তি রাউল গঞ্জালেসকে।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ইন্টার। একের পর এক আক্রমণে রিয়ালের রক্ষণকে চাপে রাখে ইতালিয়ান ক্লাবটি। কার্টিস জোন্সের শট ঠেকান কোর্তোয়া। লাউতারো মার্তিনেজও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি।
অন্যদিকে প্রথমার্ধের ভুলের পর দ্বিতীয়ার্ধে ইন্টার গোলরক্ষক জোসেপ মার্তিনেজও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। ৫৮ মিনিটে বেলিংহামের হেড এবং ৬৬ মিনিটে এমবাপ্পের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন তিনি। ব্রাহিম দিয়াজের বাঁকানো শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
রিয়াল তখন তৃতীয় গোলের জন্য মরিয়া। কিন্তু ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি তারা।
দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও হাল ছাড়েনি ইন্টার। কার্টিস জোন্সের একটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত ৭৭ মিনিটে ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজে পায় তারা। লাউতারো মার্তিনেজের নিখুঁত পাস থেকে কার্লোস অগুস্তো গোল করে ব্যবধান কমিয়ে আনেন ২–১-এ।
এরপর শেষ ১৩ মিনিটে রিয়ালের ওপর চাপ আরও বাড়ায় ইন্টার। ৮৯ মিনিটে হেনরিখ মিখিতারিয়ানের শট ডিফ্লেক্ট হয়ে দিক বদলে গেলেও অসাধারণ দক্ষতায় সেটি ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ২–১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ শুরু হলেও ম্যাচের শেষভাগে রিয়ালকে বেশ চাপই সামলাতে হয়েছে।












