Image

হলান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির দুর্দান্ত শুরু

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 3 ঘন্টা আগেআপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
হলান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির দুর্দান্ত শুরু

হলান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির দুর্দান্ত শুরু

হলান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির দুর্দান্ত শুরু

পোর্তো ০–২ ম্যানচেস্টার সিটি

নতুন মৌসুম, নতুন কোচ—কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটির গোলের গল্পে সেই পুরোনো নায়কই। আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে ২–০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুম শুরু করেছে সিটি।

নতুন কোচ এনজো মারেসকার অধীনে এটিই ছিল সিটির চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম পরীক্ষা। পেপ গার্দিওলার দীর্ঘ অধ্যায়ের পর দায়িত্ব নেওয়া মারেসকার সামনে কাজটা সহজ নয়। তবে পোর্তোর মাঠে প্রথম ম্যাচে সেই চাপের ছাপ খুব একটা দেখা যায়নি। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছিল সিটি।

প্রথমার্ধে অবশ্য হলান্ডকে আটকে রাখতে সফল ছিলেন পোর্তো গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। একবার দুর্দান্ত ঝাঁপিয়ে হলান্ডের শক্তিশালী হেড ফিরিয়ে দেন তিনি। এরপরও নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারকে হতাশ করেন আরও দুটি সেভে। ফলে প্রথম ৪৫ মিনিট গোলশূন্যই থাকে ম্যাচ।

তবে বিরতির পর আর অপেক্ষা করতে হয়নি হলান্ডকে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এনজো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হেড করেন হলান্ড। শটটি খুব জোরালো না হলেও কস্তাকে ভুল পায়ে ফেলে বল গড়িয়ে যায় নিচের কোণায়। ১–০ গোলে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি।

গোল হজমের পর যেন ঘুম ভাঙে পোর্তোর। স্বাগতিকেরা তখন আক্রমণে ফেরার চেষ্টা করে এবং কিছুটা চাপও তৈরি করে সিটির রক্ষণে। একপর্যায়ে জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা গোল ছেড়ে বেরিয়ে এসে পেপেকে ফেলে দেন। অফসাইড না থাকলে ঘটনাটি পোর্তোর পক্ষে পেনাল্টির সুযোগ তৈরি করতে পারত। পরে দোন্নারুম্মার একটি ক্লিয়ারেন্স উইলিয়াম গোমেসের গায়ে লেগে অল্পের জন্য গোল হয়নি।

তবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি হাতছাড়া করেনি সিটি। যোগ করা সময়ের গভীরে রায়ান আইত-নুরির ক্রস পেয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠান হলান্ড। নিশ্চিত হয় সিটির ২–০ গোলের জয়।

এই গোলের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগে হলান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ৫৯ ম্যাচে ৫৯টি। এর আগে প্রতিযোগিতায় দ্রুততম ২০, ৩০, ৪০ ও ৫০ গোলের রেকর্ড নিজের করে নিয়েছিলেন তিনি। এবার ৬০ গোলের মাইলফলকও ছোঁয়ার খুব কাছে নরওয়েজিয়ান তারকা।

ক্লাবের হয়েও আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন হলান্ড। সিটির হয়ে এটি ছিল তাঁর ১৬৭তম গোল, যা তাঁকে ক্লাবটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে তুলে দিয়েছে।

ম্যাচ শেষে নিজের পারফরম্যান্সের চেয়ে দলের মানসিকতার কথাই বলেছেন হলান্ড। তাঁর ভাষায়, সবচেয়ে বড় মঞ্চে চাপ থাকবেই, তবে সেই চাপ সামলে নিজেদের দায়িত্ব পালন করাই ছিল দলের লক্ষ্য।

চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ নিয়ে তাঁর উপলব্ধিও পরিষ্কার—এই ম্যাচগুলো জেতা জরুরি। কারণ পয়েন্ট হারালেই চাপ দ্রুত বাড়তে শুরু করে।

নতুন কোচের অধীনে নতুন শুরুর রাতে তাই ম্যানচেস্টার সিটির গল্পটা আবারও সেই পুরোনো নামেই লেখা হলো—আর্লিং হলান্ড।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three