Image

এজবাস্টনেও ব্যাটিং ধস, ১৩৩ রানে অলআউট পাকিস্তান

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 14 ঘন্টা আগেআপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
এজবাস্টনেও ব্যাটিং ধস, ১৩৩ রানে অলআউট পাকিস্তান

এজবাস্টনেও ব্যাটিং ধস, ১৩৩ রানে অলআউট পাকিস্তান

এজবাস্টনেও ব্যাটিং ধস, ১৩৩ রানে অলআউট পাকিস্তান

কোচ বদলেছে, দলে এসেছে একাধিক নতুন মুখ, বদলেছে ভেন্যুও। কিন্তু বদলায়নি পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের দুর্দশা। সিরিজের প্রথম দুই টেস্টের পর এজবাস্টনেও একই চিত্র দেখা গেল। তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৩৩ রানেই গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান।

এ নিয়ে টানা পাঁচ ইনিংসে দুই শর নিচে থামল পাকিস্তানের ইনিংস। এর মধ্যে টানা তিন ইনিংসে দেড় শ রানও পেরোতে পারেনি তারা।

হেডিংলিতে ইনিংস ব্যবধানে এবং লর্ডসে ১৯৪ রানে হারের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দলে বড় পরিবর্তন আনে। প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদসহ দুই কোচ এবং সাত ক্রিকেটারকে সরিয়ে নতুন করে পাঁচজনকে দলে নেওয়া হয়। এজবাস্টনে তাঁদের মধ্যে তিনজনের টেস্ট অভিষেকও হয়েছে—একজন উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান ও দুজন পেসার।

তবে পরিবর্তনের পরও ব্যাটিংয়ের চিত্র বদলায়নি। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। দেড় বছর পর টেস্ট দলে ফেরা সাইম আইয়ুব ওলি রবিনসনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। মাত্র ৪৮ রানেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জোহানেসবার্গ টেস্টের পর এই প্রথম কোনো টেস্ট ইনিংসে ৫০ রানের আগেই পাকিস্তানের অর্ধেক ব্যাটার সাজঘরে ফেরেন।

প্রথম পাঁচ ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি। সব মিলিয়ে ১১ ব্যাটারের আটজনই ১০ রানের নিচে আউট হয়েছেন।

দলের হয়ে কিছুটা লড়াই করেন সৌদ শাকিল। ছয়ে নেমে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করা বাঁহাতি এই ব্যাটার জশ টাংয়ের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৪৭ বলে সাতটি চারের সাহায্যে ৪৩ রান করেন। তাঁর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি ছিল মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ আলীর মধ্যে। দশম উইকেটে তাঁদের ২৬ রানের জুটিই হয়ে ওঠে ইনিংসের সর্বোচ্চ।

পাকিস্তানের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ রানের জুটি গড়েন বাবর আজম ও সৌদ শাকিল।

ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন জশ টাং। ৪২ রানে চার উইকেট নিয়েছেন তিনি। ওলি রবিনসন ও জোফ্রা আর্চার পেয়েছেন তিনটি করে উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ৩৩.৫ ওভারে ১৩৩ (শাকিল ৪৩, আব্বাস ২১, রাজাউল্লাহ ১১; টাং ৪/৪২, রবিনসন ৩/১৫, আর্চার ৩/২৫)।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three