যুক্তরাষ্ট্রের বক্স অফিসে সর্বকালের রেকর্ড, গ্রীষ্মে আয় ৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার
- 1
১৯৮০–৮৩ সালের early-1980s fashion, photography ও vintage aesthetic ধরতে নিচের ৫টি বাংলা প্রম্পট ব্যবহার করতে পারেন।
- 2
হলান্ডের জোড়া গোলে পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানচেস্টার সিটির দুর্দান্ত শুরু
- 3
কেন্টের কভারে হাসান-খালেদ, কাউন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেস জুটির নতুন অধ্যায়
- 4
চ্যাম্পিয়নস লিগে নতুন নিয়মের হাওয়া, সময়ক্ষেপণ ও ভিএআরে বড় পরিবর্তন
- 5
ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন ওয়াসিম আকরাম, ‘সুচিকিৎসায় কোনো আপস নয়’

যুক্তরাষ্ট্রের বক্স অফিসে সর্বকালের রেকর্ড, গ্রীষ্মে আয় ৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের বক্স অফিসে সর্বকালের রেকর্ড, গ্রীষ্মে আয় ৪.৭৬ বিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা হলের ব্যবসায় নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে। এবারের গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিসে টিকিট বিক্রি থেকে আয় হয়েছে ৪ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা। ১ মে থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই আয় গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
এর আগে গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিসের রেকর্ড ছিল ২০১৩ সালে। সে বছর ‘আয়রন ম্যান ৩’, ‘ডেসপিকেবল মি ২’ ও ‘ম্যান অব স্টিল’-এর মতো বড় সিনেমার সাফল্যে আয় হয়েছিল ৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। ১৩ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস তৈরি হলো।
চার মাসেই বিলিয়ন ডলারের বেশি আয়
এবারের মৌসুমের অন্যতম বড় চমক হলো, ইতিহাসে প্রথমবার গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিসের টানা চার মাসেই আয় ১ বিলিয়ন ডলারের সীমা ছাড়িয়েছে।
মে মাসে আয় হয়েছে ১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার, জুনে ১ দশমিক ০৮ বিলিয়ন, জুলাইয়ে ১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন এবং আগস্টে ১ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার।
সাধারণত মে মাসের শুরু থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবার লেবার ডে পর্যন্ত সময়কে হলিউডের গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিস মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। বছরের মোট বক্স অফিস আয়ের প্রায় ৪০ শতাংশই এই সময় থেকে আসে।
স্পাইডার-ম্যান ও ‘দ্য অডিসি’র দাপট
এবারের রেকর্ড আয়ের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ও বড় বাজেটের সিনেমাগুলো। ‘টয় স্টোরি ৫’ ও ‘দ্য ডেভিল ওয়্যার্স প্রাডা ২’-এর মতো বহুল প্রতীক্ষিত সিকুয়েলের পাশাপাশি ‘অবসেশন’ ও ‘ব্যাকরুমস’-এর মতো তরুণ দর্শকদের মধ্যে জনপ্রিয় সিনেমাও ভালো ব্যবসা করেছে।
তবে সবচেয়ে বড় সাফল্য এসেছে সনির মার্ভেল সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ থেকে। যুক্তরাষ্ট্রে ছবিটির আয় প্রায় ৯২৩ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাপী প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য অডিসি’-ও প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। উত্তর আমেরিকায় ছবিটির আয় ৫৮৯ মিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাপী আয় দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলারে।
করোনার পর দ্বিতীয়বার ৪ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিস
করোনাভাইরাস মহামারির পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীষ্মকালীন বক্স অফিস ৪ বিলিয়ন ডলারের সীমা ছাড়িয়েছে।
এর আগে ২০২৩ সালে ‘বার্বি’ ও ‘ওপেনহাইমার’কে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনায় গ্রীষ্মকালীন আয় হয়েছিল ৪ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলার। আর করোনার আগের শেষ পূর্ণাঙ্গ মৌসুম, ২০১৯ সালে ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’-এর মতো ব্লকবাস্টারের সাফল্যে আয় হয়েছিল প্রায় ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।
তবে এবারের রেকর্ডের ক্ষেত্রে দুটি বিষয়ও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। ২০১৩ সালের আয় মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করা হয়নি। পাশাপাশি এ বছরের গ্রীষ্মকালীন মৌসুম ছিল ১৩০ দিনের, যেখানে ২০১৩ সালে ছিল ১২৩ দিন। ক্যালেন্ডারে লেবার ডে ছুটির অবস্থানের কারণেই এবার মৌসুমটি কিছুটা দীর্ঘ হয়েছে।
তারপরও সিনেমা হলের ব্যবসার জন্য ৪.৭৬ বিলিয়ন ডলারের এই আয়কে বড় ধরনের ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। দীর্ঘদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের বক্স অফিসে দর্শক ও ব্যবসা—দুই দিকেই বড় প্রত্যাবর্তনের ছবি দেখা যাচ্ছে।















