মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে যুক্ত করার পক্ষে রাশিয়া, বললেন লাভরভ
- 1
রিয়ালের রেকর্ড ছোঁয়ার হাতছানি পিএসজির, নতুন মৌসুমে আজ রিয়াল-ইন্টার
- 2
লাবুশেনকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকা যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, টেস্ট দলে চমক কনোলি
- 3
ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে নাকভির হাত থেকে ট্রফি নেবেন হারমানপ্রীত?
- 4
মেরি কমকে নিয়ে বিগ বসের প্রতিযোগীদের সতর্ক করলেন প্রিয়াঙ্কা
- 5
সব স্মৃতি হারালেও জিমিনকে ভোলেননি বৃদ্ধা, মায়ের ইচ্ছায় কনসার্টে মেয়ের সঙ্গে

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে যুক্ত করার পক্ষে রাশিয়া, বললেন লাভরভ
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে যুক্ত করার পক্ষে রাশিয়া, বললেন লাভরভ
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানকে যুক্ত করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেছেন, এই চুক্তিতে তেহরানের অংশগ্রহণ উপসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার মস্কোর স্টেট ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে এক বৈঠকে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের অবস্থান তুলে ধরেন লাভরভ।
তিনি বলেন, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে রাশিয়া একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল। ওই প্রস্তাবে ইরানসহ উপসাগরীয় ও আরব দেশগুলোকে আলোচনায় বসে পারস্পরিক বিরোধ নিয়ে আলোচনা এবং আস্থা তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
লাভরভ বলেন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক যে জটিল, তা রাশিয়া জানত। তাই তাদের আলোচনার টেবিলে এনে অভিযোগ ও মতবিরোধ নিয়ে আলোচনা এবং আস্থা তৈরির কিছু পদক্ষেপে একমত করাই ছিল মস্কোর লক্ষ্য।
তবে তাঁর মতে, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান চালানোর পর উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি প্রসঙ্গে লাভরভ বলেন, চুক্তির সমর্থকেরা জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের বাইরের দেশগুলোর জন্যও ভবিষ্যতে এর সদস্যপদ উন্মুক্ত রাখা যেতে পারে। সেই কাঠামোর মধ্যে ইরানকে কীভাবে যুক্ত করা যায়, তা নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো মস্কোর প্রস্তাবিত আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো বাস্তবায়নের দিকে ‘সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ’ হতে পারে।
এর আগে গত ৭ আগস্ট মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে সই করে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক। চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো—চুক্তিভুক্ত কোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশগুলো যৌথভাবে তাকে প্রতিরক্ষা সহায়তা দেবে।
‘উন্নত’ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দাবি ইরানের
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধের’ হুমকি দিয়েছে ইরান। একই সময়ে তেহরান দাবি করেছে, তারা মার্কিন একটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে উন্নত প্রযুক্তির একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে নতুন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ওয়াশিংটনকে স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।
রেজায়ি সম্ভবত ‘কাসেম বাসির’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন। ইরানের গণমাধ্যমের দাবি, হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থানরত একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়েছিল। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের যুদ্ধজাহাজগুলো ওই হামলা এড়িয়ে গেছে।
ইরান ‘কাসেম বাসির’কে উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে দাবি করেছে। তেহরানের ভাষ্য, এটি আগের সংস্করণগুলোর তুলনায় সহজে দিক পরিবর্তন করতে পারে এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।
ইরানের ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সংঘাতে প্রথমবারের মতো এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।















