ফিফা দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে বাবা-ছেলের স্বীকারোক্তি, বাজেয়াপ্ত হবে ৫ কোটি ডলার
- 1
রুবেলের ঘূর্ণিতে নর্দান টেরিটরিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ এইচপি
- 2
দিনুশার দেয়ালে থেমে গেল ভারতের জয়, কলম্বোতে ‘টেস্ট ক্রিকেটই জিতেছে’
- 3
চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র: সহজ সূচি কার, কঠিন চ্যালেঞ্জে কারা
- 4
বার্সেলোনায় রদ্রির স্বপ্নের অভিষেক, অ্যাথলেটিক বিলবাওকে ২-০ গোলে হারাল ফ্লিকের দল
- 5
বিশ্বকাপের নিষেধাজ্ঞায় বড় স্বস্তি, প্রীতি ম্যাচেও শাস্তি কাটাতে পারবেন আর্জেন্টিনার চারজন

ফিফা দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে বাবা-ছেলের স্বীকারোক্তি, বাজেয়াপ্ত হবে ৫ কোটি ডলার
ফিফা দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে বাবা-ছেলের স্বীকারোক্তি, বাজেয়াপ্ত হবে ৫ কোটি ডলার
ফিফার বহুল আলোচিত দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে এবার অপরাধ স্বীকার করেছেন আর্জেন্টিনার দুই ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী—বাবা হুগো জিনকিস ও ছেলে মারিয়ানো জিনকিস। লাভজনক সম্প্রচার ও বিপণনস্বত্ব পেতে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা মার্কিন কৌঁসুলিদের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির অংশ হিসেবে স্বীকার করেছেন তাঁরা।
২০১৫ সালে ফিফা ও উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কনফেডারেশনগুলোকে ঘিরে শুরু হওয়া বিস্তৃত মার্কিন তদন্তে অভিযুক্ত হয়েছিলেন জিনকিসরা। সেই তদন্তের জেরে জুরিখে ফিফা কর্মকর্তাদের ওপর অভিযান, একের পর এক গ্রেপ্তার, বিচার এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন কর্মকর্তার দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও অপরাধ স্বীকারের ঘটনা ঘটে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে করা ডিফার্ড প্রসিকিউশন অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় জিনকিসদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ প্রত্যাহার করা হবে। তবে এর বিনিময়ে ফিফা, কনক্যাকাফ ও কনমেবলকে প্রতারণার একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা স্বীকার করেছেন তাঁরা। পাশাপাশি ৫ কোটি ডলার বাজেয়াপ্ত করতেও সম্মতি দিয়েছেন বাবা-ছেলে।
আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টের আকর্ষণীয় মিডিয়া ও বিপণনস্বত্ব পাওয়ার জন্য ফুটবল কর্মকর্তাদের সমর্থন আদায়ে জিনকিসরা ‘কোটি কোটি ডলারের বাণিজ্যিক ঘুষ’ দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছিলেন।
আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন প্রতিষ্ঠান ফুল প্লে-এর সহমালিক ছিলেন জিনকিসরা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও কোপা আমেরিকার মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সম্প্রচারস্বত্ব পাওয়ার লক্ষ্যেই তাঁরা ঘুষের আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই দুর্নীতি তদন্তে ফিফা ও আমেরিকা মহাদেশের ফুটবল প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এবার সেই তদন্তেরই ধারাবাহিকতায় জিনকিস বাবা-ছেলের স্বীকারোক্তি ফুটবল বিশ্বের পুরোনো দুর্নীতি কেলেঙ্কারিকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে।













