Image

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলে শৃঙ্খলা তদন্ত, দুই ক্রিকেটারের ফোন নিয়ে জল্পনা

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 3 ঘন্টা আগেআপডেট: 1 ঘন্টা আগে
ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলে শৃঙ্খলা তদন্ত, দুই ক্রিকেটারের ফোন নিয়ে জল্পনা

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলে শৃঙ্খলা তদন্ত, দুই ক্রিকেটারের ফোন নিয়ে জল্পনা

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলে শৃঙ্খলা তদন্ত, দুই ক্রিকেটারের ফোন নিয়ে জল্পনা

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের শৃঙ্খলা ও আচরণসংক্রান্ত কিছু খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। তবে ঠিক কী অভিযোগের তদন্ত চলছে কিংবা কোন ক্রিকেটাররা এতে জড়িত—সে বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি বোর্ড।

পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির উপদেষ্টা আমির মীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তদন্ত শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বোর্ডের প্রচলিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আমির মীরের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্ত চলাকালে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজেদের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে অতিরিক্ত মন্তব্য করতে রাজি নয় পিসিবি। একই সঙ্গে বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনুমাননির্ভর তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করেছেন বিভিন্ন অনির্ভরযোগ্য ও শত্রুভাবাপন্ন সূত্র থেকে ছড়িয়ে পড়া খবর নিয়ে। কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে সেসব বিশ্বাস না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

পিসিবির তদন্তের খবর সামনে আসে লন্ডনে পাকিস্তান দলের দুই ক্রিকেটারের মুঠোফোন কয়েক ঘণ্টার জন্য দলের নিরাপত্তা কর্মকর্তার হেফাজতে নেওয়ার খবর প্রকাশের পর। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও সুপার জানিয়েছে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই বোর্ড অভ্যন্তরীণ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে।

দেশটির আরেক সংবাদমাধ্যম ৩৬৫ নিউজের দাবি, ওই ক্রিকেটারদের ফোন পরে পিসিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এজবাস্টন টেস্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো বোর্ডের কাছেই থাকার কথা। তবে কোন দুই ক্রিকেটারের ফোন নেওয়া হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।

অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে জিও সুপার আরও জানিয়েছে, লন্ডনে অবস্থানকালে কয়েকজন খেলোয়াড়ের কর্মকাণ্ড ও কিছু ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগের বিষয়টি তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞার মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে খেলোয়াড়দের ফোন জব্দ করা কিংবা ফোনের তথ্য পরীক্ষা করার বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি পিসিবি।

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের প্রথম দুই টেস্টে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর দলটিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছিল। সফরের মাঝপথে সাতজন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। তাঁদের বদলি হিসেবে নেওয়া সাতজনের মধ্যে পাঁচজনই এখনো টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায়।

কোচিং স্টাফেও আসে বড় পরিবর্তন। টেস্ট দলের প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও পেস বোলিং কোচ উমর গুলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সীমিত ওভারের দলের প্রধান কোচ মাইক হেসন এবং বোলিং কোচ অ্যাশলে নফকে টেস্ট দলের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নির্বাচক পদ থেকেও সরে দাঁড়ান মিসবাহ-উল-হক।

দলের ধারাবাহিক এই পরিবর্তনের মধ্যেই এবার শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করল পিসিবি। তবে তদন্তের বিষয়বস্তু এবং সম্ভাব্য অভিযুক্তদের পরিচয় গোপন রাখছে বোর্ড। অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three