লেভানডফস্কির ৪১ গোলের রেকর্ড কেইনের জন্য ‘মিশন ইম্পসিবল’: হামান
- 1
মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগে তদন্তে আসেনসিও, রিয়ালের কড়া বার্তা
- 2
ইংল্যান্ডে রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাতে বাদ পড়া পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ‘বাধ্য’ করার অভিযোগ
- 3
মেসির সম্মানে দেশের সব ঘরোয়া ম্যাচে ১০ মিনিটে এক মিনিটের করতালি
- 4
লেভানডফস্কির ৪১ গোলের রেকর্ড কেইনের জন্য ‘মিশন ইম্পসিবল’: হামান
- 5
এমবাপ্পেকে অপহরণের পরিকল্পনা, কারাগারে বসেই চক্র চালানোর অভিযোগ

লেভানডফস্কির ৪১ গোলের রেকর্ড কেইনের জন্য ‘মিশন ইম্পসিবল’: হামান
লেভানডফস্কির ৪১ গোলের রেকর্ড কেইনের জন্য ‘মিশন ইম্পসিবল’: হামান
রেকর্ড গড়া হয় ভাঙার জন্য—খেলাধুলায় বহুল প্রচলিত এই কথারই যেন প্রমাণ রেখেছেন রবার্ট লেভানডফস্কি। জার্মান ফুটবলের কিংবদন্তি গার্ড মুলারের এক মৌসুমে ৪০ গোলের দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভেঙে ২০২০-২১ মৌসুমে বুন্দেসলিগায় ৪১ গোল করেছিলেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ স্ট্রাইকার।
এবার সেই রেকর্ড ভাঙার সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে আলোচনায় হ্যারি কেইন। টটেনহামের দীর্ঘ ট্রফি-খরা পেছনে ফেলে বায়ার্নে যোগ দেওয়ার পর থেকেই গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। বাভারিয়ার জার্সিতে ১৪৯ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ১৪৬। টানা তিন মৌসুম জিতেছেন গোল্ডেন বুটও।
বুন্দেসলিগায় ইতিমধ্যে ৯৫ ম্যাচে ৯৮ গোল করেছেন কেইন। তবে লেভানডফস্কির ৪১ গোলের রেকর্ডে এখনো পৌঁছাতে পারেননি তিনি। দুই মৌসুমে ৩৬টি করে গোল করেও রেকর্ড থেকে চার-পাঁচ গোল দূরেই থেমেছেন।
সাবেক জার্মান মিডফিল্ডার ডিটমার হামানের মতে, কেইনের সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু আধুনিক ফুটবলের ব্যস্ত সূচিই তাঁর সামনে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
গোল-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামান বলেন, ‘সে পারবে কি না? অবশ্যই তার সেই সামর্থ্য আছে। কিন্তু আমি মনে করি, সে পারবে না।’
হামানের ব্যাখ্যা, এক মৌসুমে ৪১ গোলের মতো বড় রেকর্ড ভাঙতে হলে কেইনকে লিগের অন্তত ৩০ থেকে ৩২টি ম্যাচে পুরো সময় খেলতে হবে। কিন্তু বায়ার্নের প্রধান লক্ষ্য যেখানে চ্যাম্পিয়নস লিগে সাফল্য, সেখানে নকআউট পর্বে কেইনকে নিয়মিত খেলানোর ঝুঁকি নেবে না ক্লাবটি।
বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল কিংবা সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ সামনে থাকলে বুন্দেসলিগার তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কেইনকে বিশ্রাম দেওয়া স্বাভাবিক। আর কয়েকটি ম্যাচে না খেললে ৪১ গোলের মাইলফলকে পৌঁছানো কঠিন হয়ে যাবে।
তবে লেভানডফস্কির আরেকটি রেকর্ড ছোঁয়ার সুযোগ রয়েছে কেইনের সামনে। বায়ার্নের হয়ে টানা পাঁচবার গোল্ডেন বুট জেতার কীর্তি রয়েছে লেভানডফস্কির। ফিট থাকলে কেইনের পক্ষেও সেই রেকর্ডে ভাগ বসানো সম্ভব বলে মনে করেন হামান।
‘সে যদি ফিট থাকে, তাহলে প্রতি মৌসুমেই ২০ থেকে ২৫ গোল ধরেই শুরু করে। এরপর যেটা করবে, সেটা বাড়তি। আমি এমন কোনো পরিস্থিতি দেখি না, যেখানে সে ২০ গোল করবে না। আর বেশির ভাগ সময়েই এই সংখ্যাই গোল্ডেন বুট জিততে যথেষ্ট,’ বলেন হামান।
এর বাইরেও কেইনের সামনে রয়েছে বায়ার্নের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ। বায়ার্নের হয়ে লেভানডফস্কি করেছেন ৩৪৪ গোল। আর ক্লাবটির রেকর্ড এখনো গার্ড মুলারের দখলে—৩৬৫ গোল।
অর্থাৎ মুলারের রেকর্ড ছুঁতে কেইনকে বায়ার্নের হয়ে আরও অনেক বছর ধারাবাহিকভাবে গোল করে যেতে হবে। তাঁর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষের পথে থাকলেও নতুন চুক্তিতে সই করার খবর রয়েছে। শেষ পর্যন্ত কেইন মিউনিখে থেকে লেভানডফস্কি ও মুলারের রেকর্ডের দিকে কতটা এগোতে পারেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।














