বার্সার জয়ে জোড়া গোল, ১৯ বছরেই ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল
- 1
আর্চার-টাংদের পেস আক্রমণে ২০০৫ অ্যাশেজজয়ী দলের ছায়া দেখছেন ট্রেসকোথিক
- 2
‘তুমি অমর’—মেসির বিদায়ে আবেগে ভাসলেন মার্তিনেজ, দি পল ও সতীর্থরা
- 3
অশ্রুসিক্ত বিদায়: আর্জেন্টিনা জাতীয় দলকে বিদায় বললেন লিওনেল মেসি
- 4
নতুন পে স্কেলে এমপিও শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি
- 5
এমবাপ্পের গোলে রিয়ালের জয়

বার্সার জয়ে জোড়া গোল, ১৯ বছরেই ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল
বার্সার জয়ে জোড়া গোল, ১৯ বছরেই ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল
ক্যাম্প ন্যুতে শুরুটা মোটেও স্বস্তির ছিল না বার্সেলোনার। ম্যাচের মাত্র ১২ মিনিটে সের্হিও কামেলোর গোলে এগিয়ে যায় রায়ো ভায়েকানো। তবে দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয় কাতালানরা। শেষ পর্যন্ত লামিনে ইয়ামাল ও রাফিনিয়ার জোড়া গোলে ৫–২ ব্যবধানের দারুণ জয় পায় বার্সেলোনা।
পিছিয়ে পড়ার পর ১৯ মিনিটে রাফিনিয়া গোল করে বার্সাকে সমতায় ফেরান। মাত্র দুই মিনিট পর, ২১ মিনিটে গোল করেন ইয়ামাল। চলতি মৌসুমে এটাই ছিল বার্সার তরুণ উইঙ্গারের প্রথম গোল। একই সঙ্গে এই গোলের মাধ্যমে স্পেনের পেশাদার ফুটবলের ইতিহাসে অফিসিয়াল ক্লাব প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে কম বয়সে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
বিরতির পরও থামেনি ইয়ামাল-রাফিনিয়ার দাপট। দ্বিতীয়ার্ধে দুজনই আরও একটি করে গোল করেন। এর মাঝে রায়োর ডিফেন্ডার ফ্লোরিয়ান লেজেউনের আত্মঘাতী গোলে বার্সার ব্যবধান আরও বাড়ে। ম্যাচের শেষ দিকে কামেলো নিজের দ্বিতীয় গোল করলেও তা শুধু পরাজয়ের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে।
এই জয়ে টানা তিন ম্যাচ জয়হীন থাকার পর রায়ো ভায়েকানো আরও একবার হারের মুখ দেখল। অন্যদিকে হান্সি ফ্লিকের দল টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠার পথে তিন ম্যাচে মোট ১২ গোল করেছে।
রেকর্ডের পাতায় ইয়ামাল
মাত্র ১৯ বছর ৪৯ দিন বয়সে ৫০তম গোল করে ইয়ামাল পেছনে ফেলেছেন রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি রাউল গঞ্জালেসকে। ১৯ বছর ২৪৯ দিন বয়সে ৫০ গোলের মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন রাউল। আতলেতিকো মাদ্রিদের সাবেক তারকা ফার্নান্দো তোরেসের লেগেছিল ২০ বছর ২২১ দিন।
বার্সেলোনার হয়ে এতদিন এই রেকর্ড ছিল প্রয়াত সাবেক ফরোয়ার্ড জোসেফ এসকোলার দখলে। ১৯৩৫ সালের ২০ অক্টোবর ২০ বছর ৩৫৬ দিন বয়সে কাতালান আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপে নিজের ৫০তম গোল করেছিলেন তিনি।
বার্সার হয়ে লিওনেল মেসি ৫০তম গোল করেছিলেন ২১ বছর ১২০ দিন বয়সে। চ্যাম্পিয়নস লিগে বাসেলের বিপক্ষে সেই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।
ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়েও ইয়ামালের কীর্তি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এর আগে কিলিয়ান এমবাপ্পে ১৯ বছর ২৪১ দিন এবং আর্লিং হলান্ড ২০ বছর ১৯৬ দিন বয়সে ৫০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। বয়সের বিচারে দুজনকেই ছাড়িয়ে গেলেন ইয়ামাল।
বার্সেলোনার হয়ে এখন পর্যন্ত ১৫৪ ম্যাচে ৫১ গোল করেছেন ইয়ামাল। এর মধ্যে ১২৬ ম্যাচে ছিলেন শুরুর একাদশে। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৪৫ গোল। অর্থাৎ মোট ৯৬ গোলে সরাসরি অবদান রয়েছে তাঁর। গড়ে প্রতি ১১৯ মিনিটে একটি করে গোলে অবদান রেখেছেন ১৯ বছর বয়সী এই তারকা।













