Image

আর্চার-টাংদের পেস আক্রমণে ২০০৫ অ্যাশেজজয়ী দলের ছায়া দেখছেন ট্রেসকোথিক

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ : 11 ঘন্টা আগেআপডেট: 27 মিনিট আগে
আর্চার-টাংদের পেস আক্রমণে ২০০৫ অ্যাশেজজয়ী দলের ছায়া দেখছেন ট্রেসকোথিক

আর্চার-টাংদের পেস আক্রমণে ২০০৫ অ্যাশেজজয়ী দলের ছায়া দেখছেন ট্রেসকোথিক

আর্চার-টাংদের পেস আক্রমণে ২০০৫ অ্যাশেজজয়ী দলের ছায়া দেখছেন ট্রেসকোথিক

ইংল্যান্ডের বর্তমান পেস আক্রমণে ২০০৫ সালের অ্যাশেজজয়ী দলের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন মার্কাস ট্রেসকোথিক। জফ্রা আর্চার, জশ টাং, গাস অ্যাটকিনসন ও অলি রবিনসনকে নিয়ে গড়া পেস ইউনিটের বৈচিত্র্য ও গতির সঙ্গে দুই দশক আগের ইংল্যান্ডের সফল পেস আক্রমণের মিল খুঁজে পাচ্ছেন দলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ।

২০০৫ সালে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ জিতেছিল ইংল্যান্ড। সেই ঐতিহাসিক সিরিজে স্টিভেন হার্মিসন, অ্যান্ড্রু ফ্লিন্টফ, ম্যাথু হগার্ড ও সাইমন জোন্সের পেস আক্রমণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। সেই দলেরই সদস্য ছিলেন ট্রেসকোথিক।

বেন স্টোকসের অবসরের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ দুই টেস্টে বিশেষজ্ঞ চার পেসার নিয়ে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। আর্চার, টাং, অ্যাটকিনসন ও রবিনসনের কার্যকর বোলিংয়ে হেডিংলি ও লর্ডসে জয় পেয়ে দুই ম্যাচেই সিরিজ নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।

বর্তমান পেস আক্রমণের প্রশংসা করে ট্রেসকোথিক বলেন, ২০০৫ সালের দলের সঙ্গে বর্তমান বোলারদের তুলনা করা খুবই স্বাভাবিক।

“আমাদের দলে সত্যিই অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে। ২০০৫ সালের দিকে তাকালে হার্মি, ফ্রেড, সাইমন ও হগার্ডের সঙ্গে বর্তমান পেসারদের তুলনা করাটা খুব সহজেই করা যায়।”

বর্তমান ইংল্যান্ড দলের সবচেয়ে বড় শক্তিগুলোর একটি হলো পেসারদের বৈচিত্র্য। ট্রেসকোথিকের মতে, দলের তিনজন বোলার ঘণ্টায় ৯২ মাইলের কাছাকাছি গতিতে বল করতে পারেন। ফলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার জন্য ইংল্যান্ডের হাতে রয়েছে একাধিক কার্যকর অস্ত্র।

তিনি বলেন, “বর্তমানে আমরা যা করার চেষ্টা করছি, তাতে দারুণ বৈচিত্র্য রয়েছে। আমাদের তিনজন বোলার ঘণ্টায় ৯২ মাইল গতিতে বল করতে পারে। আমরা যে ধরনের ক্রিকেট খেলতে চাইছি, তার জন্য এমন বোলার থাকা এবং আক্রমণে এমন শক্তি থাকা সত্যিই দারুণ।”

তবে শুধু গতি নয়, একসঙ্গে বেশি ম্যাচ খেলার মাধ্যমে এই পেস আক্রমণ আরও কার্যকর হয়ে উঠবে বলে মনে করেন ট্রেসকোথিক। তার মতে, অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বোলাররা দলের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের আরও ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারবেন।

ট্রেসকোথিক বলেন, “তারা যত বেশি একসঙ্গে খেলবে এবং অভিজ্ঞ হয়ে উঠবে, দল যেভাবে তাদের চায়, সেভাবেই তারা নিজেদের আরও ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারবে।”

২০০৫ সালের অ্যাশেজজয়ী দলের অধিনায়ক মাইকেল ভনও বর্তমান ইংল্যান্ড পেস আক্রমণের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী। দ্য টেলিগ্রাফ-এ নিজের কলামে ভন লিখেছেন, বড় কোনো সিরিজ জিততে পারলে বর্তমান বোলারদের সঙ্গে তার সময়ের পেস আক্রমণের তুলনা আরও জোরালো হবে।

তার মতে, এই পেস আক্রমণের বড় কিছু করার সামর্থ্য রয়েছে এবং আগামী গ্রীষ্মে ইংল্যান্ডের হয়ে অ্যাশেজ পুনরুদ্ধার করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে বুধবার এজবাস্টনে। এর আগে দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করা ইংল্যান্ড এবার শেষ ম্যাচেও নিজেদের পেস আক্রমণের শক্তি ধরে রাখতে চাইবে।

ট্রেসকোথিকও জানিয়েছেন, বর্তমানে ইংল্যান্ডের চার পেসারই ম্যাচ খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। পাশাপাশি আরও কয়েকজন বোলারকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

বেন স্টোকস ও সাবেক প্রধান কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালামের সময়ে ইংল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটে গতিময় পেস বোলিংয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় দুই বছরের বেশি সময় পর টেস্ট দলে ফেরা অলি রবিনসনের উপস্থিতি বর্তমান পেস আক্রমণকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করেছে বলে মনে করছেন ট্রেসকোথিক।

Details Bottom
Details ad One
Details Two
Details Three